এত ব্যস্ততার মধ্যে ভুলেই গেছিলাম রে। আমি জানি না তুই এখন কেমন আছিস। টের পেয়েছিস আজ কী রকম বৃষ্টি হলো! তোর কাঁচা ঘরের ওপর দিয়ে স্রোতের মতো বয়ে যায়নি? আটতলা বিল্ডিংয়ের ভেতর থেকে আমি বুঝতে পারিনি। আমার রুমের দরজা ঠকঠক করে বাড়ি খাচ্ছিল। তোর ঘরের দরজা নিজ হাতে বন্ধ করেছি একটার পর একটা বাঁশ দিয়ে, তারপর ঝুরঝুরে মাটির ছাউনি। কী জানি হয়েছিল তোর? লিভার সিরোসিস? তখন বুঝিনি। এখন বুঝি শালার কী জিনিস এটা। হায়, অনেক আগেই চলে গেলি।
ভাবতেও পারিনি রে দোস্ত, সত্যি সত্যি চলে যাবি। যদি জানতাম, তাহলে পুরো কলেজ তোর কেবিনের সামনে বসিয়ে দিয়ে যেতাম। চিৎকার করে বলতাম, আমাদের বন্ধুকে ছাড়া সব মজা বাতিল। বড় অসময়ে চলে গেলি, তোর আর সময়জ্ঞান হলো না।
এই দিনটাতেই তোকে আমার মনে পড়ল। ঘোড়ার ডিমের বৃষ্টি তোর কাছে যেতে দিচ্ছে না আমাকে। তবু তোকে আমি স্মরণ করি দোস্ত। আমি জানি, তুই ভালো আছিস। আমি আসব। জানিই তো তুই আগের ঠিকানাতেই আছিস। আমাদের সবগুলো বন্ধুর বুকের কোনো একটা ঘরও কিন্তু তোর জন্য সব সময় খালি আছে। মিস ইউ দোস্ত।
0 comments:
Post a Comment