টাইটানিক সিনেমার আলোচিত ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গান গেয়ে বিশ্বকে চমকে দেন সেলিন ডিওন। পাঁচ বার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী এই শিল্পীর জন্ম ৩০ মার্চ ১৯৬৮, কানাডায়।
কানাডার কুইবেকের এক দরিদ্র পরিবারের গল্প। ঘরে একগাদা ছেলেমেয়ে। সব মিলিয়ে ১৪ জন। সন্তানেরা কে কী করছেন তার খোঁজ নেওয়ার সময়ই নেই মা-বাবার। পেশায় বাবা কসাই আর মা গৃহপরিচারিকা। মা-বাবা ব্যস্ত তিনবেলার অন্ন সংস্থান নিয়ে। সারা দিন সন্তানেরা ব্যস্ত নিজেদের নিয়ে। সন্ধ্যার পরে রাতের খাবারে সবাই এক হন রান্নাঘরে। সারা দিনের ব্যস্ততা কাটিয়ে হাসি-ঠাট্টায় মেতে ওঠেন। সবাই নিয়মিত সপ্তাহের শেষে চলে যেতেন স্থানীয় গির্জায়। গির্জার গানের দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন সেই পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য সেলিন। সেই ছোট্ট মেয়েটি পরবর্তী সময়ে আলোচিত গায়িকা সেলিন ডিওন হিসেবে বড় হয়ে ওঠেন।
কানাডার এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বেড়ে ওঠা টাইটানিক সিনেমার গায়িকা সেলিন ডিওন। ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রথম গান গেয়ে জনসমক্ষে গান পরিবেশন করেন। সেই শুরু। এরপর মা-বাবার ক্ষুদ্র বারে পিয়ানো নিয়ে গান গাওয়া শুরু করেন ছোট্ট সেলিন। সেই বয়সেই স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে গায়িকা হবেন। তাঁর ভাষ্যে, ‘আমি আমার পরিবার, ছোট্ট শহর, স্নিগ্ধ সকাল, বাড়ির সামনের পথ, সেই পিয়ানোতে বসে গান গাওয়ার দৃশ্য এখনো প্রায় চোখে দেখি। আমি তখন থেকেই নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম। আমি শহরের সবচেয়ে বড় গায়িকা হতে চেয়েছিলাম।’
মাত্র ১২ বছর বয়সে সেলিন তাঁর মা ও ভাইকে নিয়ে ‘ইট ওয়াজ অনলি অ্যা ড্রিম’ নামের গান লেখেন। মেয়ের প্রতিভা দেখে নিম্নবিত্ত বাবা বড় ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার সাহস দেখালেন। প্রথম গান রেকর্ডের জন্য ঘরবাড়ি সব সম্পত্তি বন্ধক রেখে টাকা জোগাড় করা হলো। দ্য ভয়েস অব দ্য গুড গড নামের প্রথম গান গাইল সেলিন। সেই এক গানেই ছোট্ট গ্রাম থেকে পুরো শহরে আলোচিত হলো সেলিনের কণ্ঠ। পাড়া-প্রতিবেশী এতটাই খুশি হলো যে চাঁদা তুলে ১৪ বছর বয়সের সেলিনকে পাঠিয়ে দেয় জাপান। টোকিও অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পপুলার সং ফেস্টিভ্যালে স্বর্ণ জিতে দেশে ফেরেন কিশোর সেলিন। এরপরের যাত্রাটুকু সিনেমার মতোই। কুইবেক ছেড়ে সেলিনের কণ্ঠ পুরো কানাডায় ছড়িয়ে পড়ে। ইংরেজি আর ফরাসি ভাষায় ২৫টি আলোচিত গানের অ্যালবাম আছে তাঁর। ১৯৯৭ সালে টাইটানিক সিনেমার আলোচিত ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গানটি দিয়ে চমকে দেন সবাইকে। সেলিন ডিওন সেই ১৯৮০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১২বার ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, পাঁচবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড, সাতটি অ্যামেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, ২০টি জুনো অ্যাওয়ার্ডসহ শয়ের বেশি সম্মাননা লাভ করেন।
একাধিক ওয়েবসাইট অবলম্বনে
কানাডার এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বেড়ে ওঠা টাইটানিক সিনেমার গায়িকা সেলিন ডিওন। ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রথম গান গেয়ে জনসমক্ষে গান পরিবেশন করেন। সেই শুরু। এরপর মা-বাবার ক্ষুদ্র বারে পিয়ানো নিয়ে গান গাওয়া শুরু করেন ছোট্ট সেলিন। সেই বয়সেই স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে গায়িকা হবেন। তাঁর ভাষ্যে, ‘আমি আমার পরিবার, ছোট্ট শহর, স্নিগ্ধ সকাল, বাড়ির সামনের পথ, সেই পিয়ানোতে বসে গান গাওয়ার দৃশ্য এখনো প্রায় চোখে দেখি। আমি তখন থেকেই নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম। আমি শহরের সবচেয়ে বড় গায়িকা হতে চেয়েছিলাম।’
মাত্র ১২ বছর বয়সে সেলিন তাঁর মা ও ভাইকে নিয়ে ‘ইট ওয়াজ অনলি অ্যা ড্রিম’ নামের গান লেখেন। মেয়ের প্রতিভা দেখে নিম্নবিত্ত বাবা বড় ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার সাহস দেখালেন। প্রথম গান রেকর্ডের জন্য ঘরবাড়ি সব সম্পত্তি বন্ধক রেখে টাকা জোগাড় করা হলো। দ্য ভয়েস অব দ্য গুড গড নামের প্রথম গান গাইল সেলিন। সেই এক গানেই ছোট্ট গ্রাম থেকে পুরো শহরে আলোচিত হলো সেলিনের কণ্ঠ। পাড়া-প্রতিবেশী এতটাই খুশি হলো যে চাঁদা তুলে ১৪ বছর বয়সের সেলিনকে পাঠিয়ে দেয় জাপান। টোকিও অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পপুলার সং ফেস্টিভ্যালে স্বর্ণ জিতে দেশে ফেরেন কিশোর সেলিন। এরপরের যাত্রাটুকু সিনেমার মতোই। কুইবেক ছেড়ে সেলিনের কণ্ঠ পুরো কানাডায় ছড়িয়ে পড়ে। ইংরেজি আর ফরাসি ভাষায় ২৫টি আলোচিত গানের অ্যালবাম আছে তাঁর। ১৯৯৭ সালে টাইটানিক সিনেমার আলোচিত ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গানটি দিয়ে চমকে দেন সবাইকে। সেলিন ডিওন সেই ১৯৮০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১২বার ওয়ার্ল্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, পাঁচবার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড, সাতটি অ্যামেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, ২০টি জুনো অ্যাওয়ার্ডসহ শয়ের বেশি সম্মাননা লাভ করেন।
একাধিক ওয়েবসাইট অবলম্বনে
0 comments:
Post a Comment