এ প্রশ্নের উত্তরে সাবিরুল পাঁচটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে বলেন।
এগুলো হচ্ছে:
১. আত্মবিশ্বাস : নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বাসী থাকা এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে এই মনোভাব ধরে রাখা যে আমি পারবই।২. আনন্দের সঙ্গে কাজ করা : প্রতিদিন সকালে হাসিমুখে ঘুম থেকে ওঠা এবং আনন্দের সঙ্গে প্রতিটি কাজ করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. দূরদৃষ্টি : নিজের পথচলা নিয়ে দূরদৃষ্টি থাকতে হবে। ১০ বছর পর একজন নিজেকে কোথায় দেখতে চান, তঁার উচিত এখনই সে লক্ষ্য নির্ধারন করা এবং সেভাবেই কাজ করা।
৪. সহজ কর্মপরিকল্পনা : প্রতিদিনই নিজের কোনো পরিকল্পনা থাকতে হবে এবং সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করতে হবে। নিজের পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য যেমন হবে, কর্মপরিকল্পনাও ঠিক সেভাবেই হাতে নিতে হবে।
৫. নেটওয়ার্কিং : সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে নেটওয়ার্কিং। শুধু দেশের মানুষের সঙ্গেই নয়, সারা পৃথিবীর মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। সাহায্য চাইতে দ্বিধায় ভোগাটা অনেকের স্বপ্নকে থমকে দিতে পারে। তাই আমি সবাইকে বলি, আপনার জন্য সাহায্য ও সুযোগ অপেক্ষা করছে, শুধু সঠিক জায়গায় গিয়ে সেটাকে খুঁজে নিন।
0 comments:
Post a Comment