কিরে, শুনলাম, তুই নাকি বদরুলের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিস?
ফাটাব না! আমি নাকি দেখতে চাঁদের মতো! কত্ত বড় সাহস!
সুপারমুন ওঠার রাতে সবাই দ্রুত ঘরে ফিরে দরজা–জানালা বন্ধ করে বসে থাকত।
স্যার, আজকে ছুটি দেন। সন্ধ্যা থেকে আকাশে সুপারমুন উঠবে!
সর্বনাশ, কী ভয়ংকর কথা! চলো, আমিও এখনই বের হবো।সুপারম্যান দেখা যাক বা না যাক, এ বছর দুবার দেখা গেল সুপারমুন! সেই সুপারমুন নিয়ে মাতামাতিও হলো বেশ। আচ্ছা, আকাশের বুকে চাঁদের জায়গায় যদি বিরাট একটা মাকড়সা থাকত, তাহলে সবকিছু কেমন হতো?
আজ অমাবস্যার রাতে সবাই গেছে বনেএএএএ...
আজকাল তো শহরে বসে অমাবস্যাই দেখা যায় না!
‘আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা’—এই গান শুনলেই শিশুরা ভয়ে ঘুমিয়ে পড়ত!
তাড়াতাড়ি ঘুমা, নইলে কিন্তু চাঁদ মামা এসে কপালে টিপ দিয়ে যাবে!
ঈদের চাঁদ কেউ দেখতে চাইত না। সবাই রেডিও, টিভি থেকে শুনে নিত চাঁদ দেখা গেছে কি না। চাঁদ দেখা কমিটির কাজ হতো সবচেয়ে ভয়ংকর কাজ!
এই, যা দেখে আয় তো ঈদের চাঁদ দেখা গেছে কি না।
ওরে বাবা, আমি খুব ভয় পাই, তুমি যাও প্লিজ!
কেউ কখনো চাঁদে যেতে চাইত না। চাঁদে যাওয়ার কথা ভাবলেই সবার গা শিউরে উঠত!
আরেকটা কথা কইবি, লাত্থি দিয়া চান্দে পাঠায়া দিমু!
দোস্ত, তুই কী চাস বল, দিতাসি! তাও এমন আকথা–কুকথা বলিস না!
দোস্ত, তুই কী চাস বল, দিতাসি! তাও এমন আকথা–কুকথা বলিস না!
0 comments:
Post a Comment