'দ্য ফোর-আওয়ার ওয়ার্কউইক' বইয়ের
লেখক
টিম
ফেরিস। মানুষের যাবতীয়
অভ্যাস
আর
নানা
বৈশিষ্ট্য নিয়ে
গবেষণা
করেন
তিনি। নিজেকে
'হিউম্যান গিনিপিগ' বলে
থাকেন। কারণ
নানা
পরীক্ষা নিজের
ওপরই
চালান। অনেকে
বড়
বড়
কাজে
সফলতা
লাভের
জন্যে
বিশাল
প্রস্তুতি নিয়ে
রাখেন। সবকিছু
ঠিকঠাক
থাকা
সত্ত্বেও শেষ
পর্যন্ত দেখা
যায়,
কিছুই
হয়নি। এমন
অভিজ্ঞতা যাদের
জীবনে
আসে
তারা
স্বাভাবিকভাবেই হতাশ
হয়ে
পড়েন। এখানে
টিম
ফেরিস
দিয়েছেন ৩টি
সাধারণ
পথের
দিশা। তার
মতে,
এই
তিনটি
উপায়ে
যেকোনো
লক্ষ্য
অর্জন
সম্ভব।
১. 'দ্য ফাইভ মিনিট জার্নাল' পড়ুন টিম ফেরিসের। এতে আপনি প্রতিদিনের কিছু তথ্য লিখতে পারবেন। একটি অংশে লিখবেন আজকের কোন তিনটি জিনিস দিনটিকে মনের মতো করে দিয়েছে। আবার আজকের দিনে কোন তিনটি দারুণ ঘটনা ঘটেছে তা লিখে ফেলুন। ফেরিসের মতে, এর মাধ্যমে প্রতিদিনের সফলতা এবং লক্ষ্য পরিষ্কার হয়ে যাবে।
২. জীবনের আকাঙ্ক্ষাগুলো অপূর্ণ থেকে যায় তা অর্জনে এগিয়ে না যেতে পারলে। মনের নানা ভয় মানুষকে থামিয়ে রাখে। এই ভয় দূর করতে ফেরিস বিশেষ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। একটি কাগজে তিনটি কলামে নিচের জিনিসগুলো লিখে ফেলুন।
প্রথম কলামে লেখুন সেই সব সম্ভাবনার কথা যা আপনাকে কোনো কাজে ব্যর্থ করে দিতে পারে।
দ্বিতীয় কলামে লিখুন ব্যর্থ করে দেওয়ার সেই সব কারণগুলোকে কিভাবে আটকানো যায়।
তৃতীয় কলামে লিখতে হবে, এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে কিভাবে বেরিয়ে আসতে হবে।
এবার এগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করলেই যাবতীয় পথ খুঁজে পাবেন।
৩. একে গুরুত্বহীন মনে করবেন না। দিনের শেষে বা শুরুতে ব্যায়াম করুন। এতে দেহ-মন সুস্থ থাকবে। আপনি ভালো না থাকলে কিছুই ভালোমতো চলবে না। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থতা অনিবার্য।
আর ওপরের বিষয়গুলোর সমন্বয় করতে পারলে আপনি নিঃসন্দেহে যেকোন বাধা টপকে যেতে পারবেন।
১. 'দ্য ফাইভ মিনিট জার্নাল' পড়ুন টিম ফেরিসের। এতে আপনি প্রতিদিনের কিছু তথ্য লিখতে পারবেন। একটি অংশে লিখবেন আজকের কোন তিনটি জিনিস দিনটিকে মনের মতো করে দিয়েছে। আবার আজকের দিনে কোন তিনটি দারুণ ঘটনা ঘটেছে তা লিখে ফেলুন। ফেরিসের মতে, এর মাধ্যমে প্রতিদিনের সফলতা এবং লক্ষ্য পরিষ্কার হয়ে যাবে।
২. জীবনের আকাঙ্ক্ষাগুলো অপূর্ণ থেকে যায় তা অর্জনে এগিয়ে না যেতে পারলে। মনের নানা ভয় মানুষকে থামিয়ে রাখে। এই ভয় দূর করতে ফেরিস বিশেষ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। একটি কাগজে তিনটি কলামে নিচের জিনিসগুলো লিখে ফেলুন।
প্রথম কলামে লেখুন সেই সব সম্ভাবনার কথা যা আপনাকে কোনো কাজে ব্যর্থ করে দিতে পারে।
দ্বিতীয় কলামে লিখুন ব্যর্থ করে দেওয়ার সেই সব কারণগুলোকে কিভাবে আটকানো যায়।
তৃতীয় কলামে লিখতে হবে, এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে কিভাবে বেরিয়ে আসতে হবে।
এবার এগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করলেই যাবতীয় পথ খুঁজে পাবেন।
৩. একে গুরুত্বহীন মনে করবেন না। দিনের শেষে বা শুরুতে ব্যায়াম করুন। এতে দেহ-মন সুস্থ থাকবে। আপনি ভালো না থাকলে কিছুই ভালোমতো চলবে না। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থতা অনিবার্য।
আর ওপরের বিষয়গুলোর সমন্বয় করতে পারলে আপনি নিঃসন্দেহে যেকোন বাধা টপকে যেতে পারবেন।
সূত্র : বিজনেস
ইনসাইডার
0 comments:
Post a Comment