
অনেক
এক্সপার্টের মতে,
চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে
রিজ্যুমির চেয়ে
অনেক
বেশি
গুরুত্বপূর্ণ কভার
লেটার। এর
মাধ্যমে আপনার
সফলতাসহ ব্যক্তিত্বের একটি
স্পষ্ট
চিত্র
উপস্থাপন করা
যায়। আর
কর্মীর
সেই
বিষয়টিই জানতে
চায়
প্রতিষ্ঠান। কর্মপ্রেরণা বুঝতে
পারলেই
আপনার
সম্পর্কে ধারণা
করতে
পারবেন
চাকরিদাতারা। চাকরিবিষয়ক কনসালটিরং ফার্ম
'রিজ্যুমি স্ট্র্যাটেজিস' এর
বিশেষজ্ঞ অ্যালিসা গিলবার্ড জানাচ্ছেন ৭টি
বিষয়ের
কথা
যা
প্রত্যেক চাকরিদাতাই আপনার
কভার
লেটারে
দেখতে
চান।
১. যে চাকরির জন্যে প্রার্থী হিসেবে আবেদন করছেন তার খবর কোথায় পেয়েছেন তা জানিয়ে দিন কভার লেটারে। কয়েকটি পদে প্রার্থী নেওয়া হলে আপনি ঠিক কোন পদের জন্যে প্রতিযোগিতা করবেন তা নির্দিষ্ট করে দিন।
২. নিজের মূল্যায়ন করার সুযোগ ছাড়বেন না। আগের চাকরি বা জীবনের নানা সফলতা তুলে ধরুন। এমনকি এ ক্ষেত্রে কিছুটা বড়াই করাও সাজে বলে মনে করেন অ্যালিসা। প্রতিষ্ঠানের জন্যে আপনি কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন তা পরিষ্কার হবে এই অংশে।
৩. ব্যক্তিত্বের কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় এমন তথ্য তুলে ধরুন। মূল রিজ্যুমি তা তুলে ধরতে পারে না। আবার খুব বেশি ব্যক্তিগত বিষয় তুলে ধরে অপেশাদার আচরণ করবেন না। একেবারে যান্ত্রিক ভাষায় নয়, বরং কিছু আবেগের প্রকাশ ঘটতে পারে। নিজের শখ বা ভবিষ্যত পরিকল্পনার মাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসতে পারে।
৪. চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে যা যা যে ভাষায় চাওয়া হয়েছে তার কথা তুলে ধরতে একইরকম বাক্য বা বাক্যাংশ ব্যবহার করুন। প্রতিষ্ঠানে যে ভাষায় আপনার প্রয়োজনীয় কাজগপত্র চেয়েছে, একই ভাষার ব্যবহারে তা সরবরাহ করুন।
৫. অনেকেই রেফারেন্স দেওয়ার বিষয়টি পছন্দ করেন না। কিন্তু একে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তাই চাকরিদাতার নজর কাড়তে একটা ভালো রেফারেন্স উল্লেখ করলে ভালো হয়।
৬. ইমেইলের মাধ্যমে কভার লেটার পাঠালে অন্যান্য কাগজপত্রের কপির অ্যাটাচমেন্ট গুরুত্ব রাখে। কোন কাগজটি কি প্রকাশ করছে তা পরিষ্কারভাবে অ্যাটাচমেন্টে উল্লেখ করে দেবেন।
৭. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সবকিছু অল্প পরিসরে প্রকাশ করবেন। আর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বাইরে যাবেন না। অর্থাৎ, অপ্রাসঙ্গিক বিষয় তুলে আনবেন না।
১. যে চাকরির জন্যে প্রার্থী হিসেবে আবেদন করছেন তার খবর কোথায় পেয়েছেন তা জানিয়ে দিন কভার লেটারে। কয়েকটি পদে প্রার্থী নেওয়া হলে আপনি ঠিক কোন পদের জন্যে প্রতিযোগিতা করবেন তা নির্দিষ্ট করে দিন।
২. নিজের মূল্যায়ন করার সুযোগ ছাড়বেন না। আগের চাকরি বা জীবনের নানা সফলতা তুলে ধরুন। এমনকি এ ক্ষেত্রে কিছুটা বড়াই করাও সাজে বলে মনে করেন অ্যালিসা। প্রতিষ্ঠানের জন্যে আপনি কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন তা পরিষ্কার হবে এই অংশে।
৩. ব্যক্তিত্বের কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় এমন তথ্য তুলে ধরুন। মূল রিজ্যুমি তা তুলে ধরতে পারে না। আবার খুব বেশি ব্যক্তিগত বিষয় তুলে ধরে অপেশাদার আচরণ করবেন না। একেবারে যান্ত্রিক ভাষায় নয়, বরং কিছু আবেগের প্রকাশ ঘটতে পারে। নিজের শখ বা ভবিষ্যত পরিকল্পনার মাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসতে পারে।
৪. চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে যা যা যে ভাষায় চাওয়া হয়েছে তার কথা তুলে ধরতে একইরকম বাক্য বা বাক্যাংশ ব্যবহার করুন। প্রতিষ্ঠানে যে ভাষায় আপনার প্রয়োজনীয় কাজগপত্র চেয়েছে, একই ভাষার ব্যবহারে তা সরবরাহ করুন।
৫. অনেকেই রেফারেন্স দেওয়ার বিষয়টি পছন্দ করেন না। কিন্তু একে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তাই চাকরিদাতার নজর কাড়তে একটা ভালো রেফারেন্স উল্লেখ করলে ভালো হয়।
৬. ইমেইলের মাধ্যমে কভার লেটার পাঠালে অন্যান্য কাগজপত্রের কপির অ্যাটাচমেন্ট গুরুত্ব রাখে। কোন কাগজটি কি প্রকাশ করছে তা পরিষ্কারভাবে অ্যাটাচমেন্টে উল্লেখ করে দেবেন।
৭. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সবকিছু অল্প পরিসরে প্রকাশ করবেন। আর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বাইরে যাবেন না। অর্থাৎ, অপ্রাসঙ্গিক বিষয় তুলে আনবেন না।
সূত্র
: বিজনেস
ইনসাইডার
0 comments:
Post a Comment