Md. Afrooz Zaman Khan

Afrooz
Md. Afrooz Zaman Khan. Powered by Blogger.
RSS

কৌতুক .......12



এক ভদ্রলোক তার ১০টা ছেলেমেয়ে নিয়ে চিড়িয়াখানায় গেছে বেড়াতে। বেড়াতে বেড়াতে এক কর্মকর্তার দেখা পেয়ে বলল, ‘আচ্ছা ভাই, খবর পেলাম এক গন্ডার নাকি সাতটা বাচ্চা দিয়েছে। সেই খাঁচাটা কোন দিকে?’
কর্মকর্তা ভদ্রলোকের ১০ ছেলেমেয়ের দিকে তাকিয়ে থেকে উত্তর দিল— ‘ভাই, আপনি কিছুক্ষণ এখানে দাঁড়ান। গন্ডারই আপনাকে দেখতে আসছে।’

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কৌতুক ....... 13



আমার চারদিকে শুধু হতাশা। হতাশা নিয়ে এক বিকেলে পার্কে হাঁটছি। দেখি এক পরিচিত উল্টো হয়ে দৌড়াচ্ছেন। তাঁকে থামিয়ে জানতে চাইলাম ‘আঙ্কেল, ঘটনা কী?’
তিনি উত্তর দিলেন, ‘ডাক্তার ওজন কমানোর জন্য দৌড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। তো দৌড়াতে দৌড়াতে একদিন মাপতে গিয়ে দেখি ওজন বেশি কমে গেছে। তাই এখন আবার বাড়ানোর জন্য উল্টো হয়ে দৌড়াচ্ছি।’

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কৌতুক .......14



আমি পড়াশোনায় অতটা ভালো না। পরীক্ষার ফলাফল বরাবরই খারাপ। বাড়ি থেকে প্রায়ই মারধর কপালে জোটে। একবার ফলাফল হলো খুবই খারাপ। বাবা কান ধরে এনে বাথরুমে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে দরজা আটকে দিলেন। আমি বেশ কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কি করলাম। কিন্তু দরজা আর খোলে না।
রাগ করে আমিও ভেতর থেকে আটকে দিলাম।
চার-পাঁচ ঘণ্টা পরে শুনি বাবা বাইরে থেকে চিৎকার করছেন।
‘দরজা খোল বাবা, আমাদের আর শাস্তি দিস না।’

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সফল হতে কী করণীয় ?



এ প্রশ্নের উত্তরে সাবিরুল পাঁচটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে বলেন।

 এগুলো হচ্ছে: 

১. আত্মবিশ্বাস :  নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বাসী থাকা এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে এই মনোভাব ধরে রাখা যে আমি পারবই।
২. আনন্দের সঙ্গে কাজ করা : প্রতিদিন সকালে হাসিমুখে ঘুম থেকে ওঠা এবং আনন্দের সঙ্গে প্রতিটি কাজ করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. দূরদৃষ্টি : নিজের পথচলা নিয়ে দূরদৃষ্টি থাকতে হবে। ১০ বছর পর একজন নিজেকে কোথায় দেখতে চান, তঁার উচিত এখনই সে লক্ষ্য নির্ধারন করা এবং সেভাবেই কাজ করা।
৪. সহজ কর্মপরিকল্পনা : প্রতিদিনই নিজের কোনো পরিকল্পনা থাকতে হবে এবং সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করতে হবে। নিজের পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য যেমন হবে, কর্মপরিকল্পনাও ঠিক সেভাবেই হাতে নিতে হবে।
৫. নেটওয়ার্কিং : সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে নেটওয়ার্কিং। শুধু দেশের মানুষের সঙ্গেই নয়, সারা পৃথিবীর মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। সাহায্য চাইতে দ্বিধায় ভোগাটা অনেকের স্বপ্নকে থমকে দিতে পারে। তাই আমি সবাইকে বলি, আপনার জন্য সাহায্য ও সুযোগ অপেক্ষা করছে, শুধু সঠিক জায়গায় গিয়ে সেটাকে খুঁজে নিন।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ওয়ারেন বাফেট-এর কিছু অমৃত বাণী

warren-buffett..


বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন হলেন ওয়ারেন বাফেট
তার দানশীলতা এবং সহজ সরল জীবন যাপনোর জন্য আমরা অনেকেই তাকে চিনি৷
তার কিছু অমৃত বাণী নিম্নরূপঃ

কখনো একটি উৎসের উপর নির্ভর করবেন না
আয়ের অনেকগুল উৎস রাখুন

ব্যয় করার পর যা রয়ে যায় তা না বাচিয়ে বরং টাকা বাচানোর পর অবশিষ্ট অংশ ব্যয় করুন

কখনো দুই পায়ে নদীর মধ্যে নামবেন না একটি পা ডাঙায় রেখে আরেকটি দিয়ে গভীরতা মাপুন (যখন ঝুকি নেবেন তার আগে ...থেকেই বিকল্প প্রস্তুত রাখুন)

কখনো আপনার সব ডিম (সব বিনিয়োগ) এক ঝুড়িতে রাখবেন না (এক খাতে করবেন না) বরং অল্প অল্প করে অনেক খাতে বিনিয়োগ করুন

সততা খুব মূল্যবান উপহার, সস্তা মানুষের কাছে সততা আশা করা বোকামী

অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা বন্ধ না করলে এক সময় দেখবেন প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য আপনার কাছে পর্যাপ্ত টাকা নেই




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ওয়ারেন বাফেটের কিছু টিপস


warren-buffett..
‘ওয়ারেন বাফেট’ নামটি শুনেছেন নিশ্চয়ই? তিনি হচ্ছেন একজন মার্কিন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। তাঁকে বিংশ শতকের সবচেয়ে সফল বিনিয়োগকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওয়ারেন বাফেট বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে কোম্পানির চেয়ারম্যান, সিইও এবং বৃহৎ শেয়ারহোল্ডার। তিনি ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। বাফেট ২০১১ সালে বিশ্বের তৃতীয় ধনী ব্যক্তি ছিলেন। পরের বছর টাইম ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘোষণা করে।
ওয়ারেন বাফেট বিপুল ধনসম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও অত্যন্ত মিতব্যয়ী। তিনি তাঁর সম্পদের ৯৯ শতাংশ জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য দান করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখানে ওয়ারেন বাফেটের কয়েকটি টিপস তুলে দেয়া হল।
উপার্জন করার ক্ষেত্রেঃ কখনও একটিমাত্র আয়ের উৎসের ওপর নির্ভরশীল হবেন না। দ্বিতীয় কোন উৎস তৈরির জন্য বিনিয়োগ করুন।
ব্যয়ের বেলায়ঃ আপনি যদি এমন কিছু কেনেন যা আপনার দরকার নেই, তবে শীঘ্রই (দৈনন্দিন খরচ মেটাতে) আপনার দরকারী জিনিসপত্র বিক্রি করে দিতে হবে।
সঞ্চয়ের ক্ষেত্রেঃ খরচ করে যেটুকু বাকি থাকে তা থেকে সঞ্চয় না করে বরং সঞ্চয় করে যা থেকে যায় সেখান থেকেই খরচ করুন।
ঝুঁকি নেয়ার সময়ঃ কখনোই উভয় পা পানিতে রেখে নদীর গভীরতা পরিমাপ করতে যাবেন না। অর্থাৎ, সব সময় কিছু সম্বল রেখে দেবেন। পুরোটাই ঝুঁকি নেয়ার জন্য ব্যবহার করবেন না।
বিনিয়োগের জন্যঃ সবগুলো ডিম একই ঝুড়ির মধ্যে নেবেন না। অর্থাৎ, একটি মাত্র ক্ষেত্রে বিনিয়োগ না করে ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো খাতে ইনভেস্ট করুন, যাতে মূলধন হারানোর ঝুঁকি কম থাকে।
প্রত্যাশা করার ক্ষেত্রেঃ সততা হচ্ছে একটি অত্যন্ত ব্যববহুল উপহার; যেনতেন লোকদের নিকট এটি আশা করবেন না যেন!

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ওয়ারেন বাফেট

ওয়ারেন বাফেট


ওয়ারেন বাফেট
মুদি দোকা​নি থেকে ধনকুবের

ব্যবসাতেই ছিল তাঁর সব আগ্রহ। ছোটবেলা থেকে কীভাবে টাকা কামানো আর সঞ্চয় করা যায়, তা-ই মাথায় ঘুরত তাঁর। ওয়ারেন বাফেট টাকা আয়ের জন্য বাড়ি বাড়ি চুইংগাম, কোল্ড ড্রিংকস এমনকি সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনও বিক্রি শুরু করেন। আরও টাকা আয়ের জন্য দাদার মুদি দোকানে কাজ শুরু করেন তিনি। একদিকে দোকানে কাজ অন্যদিকে পত্রিকা হকারি, গলফ বল বিক্রি। সেই মুদি দোকানে কাজ করা ছেলেটিই আজকের পৃথিবীর ধনাঢ্য ব্যক্তিদের শিরোমণি ওয়ারেন বাফেট।

ওয়ারেন বাফেট। এক সময় মুদি দোকানে কাজ করতেন। ছিলেন হকার। বিক্রি করতেন সংবাদপত্র। এখন দুনিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। বর্তমানে ৬৩টি কোম্পানির মালিক। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার দান করেছেন বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায়। তারপরও তিনি ৪ হাজার কোটি ডলারের মালিক। এখন তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনেক বিশেষণ। মার্কিন বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং লোকহিতৈষী বলে পরিচিতি পেয়েছেন। অনেকে তাকে ‘মিরাকল অব ওমাহা’ নামে ডাকেন। এত বিত্তবেসাতের মালিক হয়েও তার মধ্যে নেই কোন বিলাসিতা।

জীবন যাপন করেন অতি সাধারণ মানের। ৫০ বছর আগে বিয়ের পরে ৩ বেডরুমের যে বাড়িটি কিনেছিলেন এখনও সেখানেই বাস করেন। এমনকি বাড়িটির চারপাশে নেই কোন আলাদা প্রাচীর। তিনি বলেন, আমার যা কিছু দরকার তার সবই আছে এখানে। বিশ্বের এত বড় ধনী, তার বাসার চারদিকে নেই কোন বেড়া বা সীমানা প্রাচীর। এ বিষয়ে তার পরামর্শ হলো- প্রকৃতপক্ষে আপনার যতটুকু দরকার তার বেশি কিছু কিনবেন না। আপনার সন্তানদেরও এমনটা ভাবতে ও করতে শেখান। নিজের গাড়ি তিনি নিজেই চালান। তার আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেট কোম্পানি। কিন্তু ভ্রমণ করেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে ইকোনমিক ক্লাসে। অনেকেই ভাবতে পারেন, এটা অসম্ভব। কিন্তু তিনি তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। সমপ্রতি তিনি সিএনবিসি-কে এক ঘণ্টার একটি সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তুলে ধরেছেন জীবনের উত্থান কাহিনী। তার মতে, জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য নিজেকে আগে স্থির করতে হয় তার লক্ষ্য। তিনি এমনই এক লক্ষ্য নিয়ে মাত্র ১১ বছর বয়সে প্রথম শেয়ার কিনেছিলেন। তারপরও তিনি মনে করেন এ ব্যবসায় আসতে তার অনেক দেরি হয়ে গেছে। আরও আগে ব্যবসা শুরু করা উচিত ছিল। তাই তার পরামর্শ আপনার সন্তানকে বিনিয়োগে উৎসাহিত কর্বন। সংবাদপত্র বিক্রি করা অর্থ দিয়ে তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে ছোট্ট একটি ফার্ম কেনেন। তার মতে, অল্প অল্প করে জমানো অর্থ দিয়ে যে কেউ কিনতে পারেন অনেক কিছু। সেজন্য সন্তানদের তিনি কোন না কোন ব্যবসায় নিয়োজিত করার পরামর্শ দেন। 

১৯৩০ সালের ৩০শে আগস্ট নেবরাসকা’র ওমাহা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন এই বরেণ্য ব্যক্তি। তার পিতার নাম হাওয়ার্ড বাফেট। ওয়ারেন হলেন তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। শৈশবে কাজ করেছেন মুদির দোকানে । মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে তিনি জমা দেন আয়কর রিটার্ন। সেখানে তিনি নিজেকে সংবাদপত্র বিলিকারী হিসেবে পরিচয় দেন। তার পিতা হাওয়ার্ড যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর পর তিনি পড়াশোনা করেন ওয়াশিংটনের উডরো উইলসন হাই স্কুলে। ১৯৪৫ সালে তিনি হাই স্কুলে থাকতেই এক বন্ধুর সঙ্গে ব্যবহার করা একটি পিনবল মেশিন কেনেন মাত্র ২৫ ডলারে। মেশিনটি বসানোর মতো জায়গা ছিল না তাদের। তারা এক নাপিতের দোকানের ভেতরে তা বসিয়ে দিলেন। এর মাত্র কয়েক মাসের মাথায় তারা বিভিন্ন স্থানে বসালেন একই রকম তিনটি মেশিন। এভাবেই তার ব্যবসায় যাত্রা শুর্ব। তিনি ১৯৫০ সালে ইউনিভার্সিটি অব নেবরাসকা থেকে অর্থনীতিতে অর্জন করেন বিএস ডিগ্রি। ১৯৫১ সালে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে এমএস হন। ১৯৫১ থেকে ’৫৪ পর্যন্ত বাফেট-ফক অ্যান্ড কো.-তে ইনভেস্টম্যান সেলসম্যান হিসেবে চাকরি করেন। 

নিউ ইয়র্কে গ্রাহাম-নিউম্যান করপোরেশনে সিকিউরিটি এনালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৫৪ থেকে ’৫৬ পর্যন্ত। এছাড়া তিনি বাফেট পার্টনারশিপ লি., বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন সংস্থায় চাকরি করেছেন। এর বেশির ভাগই তার নিজের। ১৯৬২ সালে তিনি পরিণত হন মিলিয়নিয়ারে। বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে হলো একটি টেক্সটাইল কারখানা। এখানকার প্রতিটি শেয়ার তিনি ৭.৬০ ডলারে জনগণের মাঝে ছেড়ে দেন। এক পর্যায়ে ১৯৬৫ সালে প্রতি শেয়ারের বিপরীতে কোম্পানি ১৪.৮৬ ডলার দেয়। এর মধ্যে ফ্যাক্টরি এবং সরঞ্জাম দেখানো হয়নি। এরপর তিনি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কেন চেস-এর নাম ঘোষণা করেন। ১৯৭০ সালে তিনি শেয়ার হোল্ডারদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত চিঠি লেখা শুর্ব করেন। শেয়ারহোল্ডারদের কাছে এ চিঠি ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। এ সময়ে বেতন হিসেবে তিনি বছরে পেতেন ৫০ হাজার ডলার। ১৯৭৯ সালে তার বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে প্রতি শেয়ারের জন্য ৭৭৫ ডলার দিয়ে ব্যবসা করতে থাকে। এই শেয়ারের দাম ১৩১০ ডলার পর্যন্ত ওঠে। এ সময়ে তার নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬২ কোটি ডলার। এর ফলে ফরবিস ম্যাগাজিনে প্রথমবারের জন্য তিনি ফরবিস ৪০০-তে স্থান পান। ২০০৬ সালের জুনে তিনি ঘোষণা দেন যে, তিনি বার্কশায়ার হোল্ডিংয়ের শতকরা ৮৫ ভাগ বার্ষিক উপহার হিসেবে পাঁচটি ফাউন্ডেশনে দিয়ে দেবেন এবং তা শুরু হবে জুলাই থেকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ দেয়া হয় বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনকে। ২০০৭ সালে তিনি শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে এক চিঠিতে জানান, শিগগিরই তিনি একজন তরুন উত্তরসূরি নিয়োগ দিতে লোক খুঁজছেন। ২০০৮ সালে তিনি বিল গেটসকে হটিয়ে নিজে হন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী। ফরবিসের মতে, তখন তার সম্পদের পরিমাণ ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। তবে ইয়াহু’র মতে তার তখনকার সম্পদের পরিমাণ ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। এর আগে পর পর ১৩ বছর ফরবিস ম্যাগাজিনের হিসাবে বিশ্বের এক নম্বর ধনী ছিলেন বিল গেটস। এর পর ২০০৯ সালে গেটস তার শীর্ষস্থান পুনর্বদ্ধার করেন। দ্বিতীয় স্থানে চলে আসেন ওয়ারেন বাফেট। ২০০৮ থেকে ২০০৯ অর্থবছরে ওয়ারেন বাফেট লোকসান করেছেন ১২০০ কোটি ডলার। 

ব্যক্তিগত জীবন

ওয়ারেন বাফেট ১৯৫২ সালে বিয়ে করেন সুসান থম্পসনকে। তাদের রয়েছে তিন সন্তান- সুসান বাফেট, হাওয়ার্ড গ্রাহাম বাফেট এবং পিটার বাফেট। ২০০৪ সালের জুলাই মাসে স্ত্রী সুসান মারা যান। এর আগে ১৯৭৭ সাল থেকে তাদের বিচ্ছেদ না ঘটলেও তারা আলাদা বসবাস করতেন। তাদের মেয়ে সুসান ওমাহাতে বসবাস করেন। তিনি সুসান এ. বাফেট ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সেবামূলক কাজ করেন। ওয়ারেন বাফেট ২০০৬ সালে ৭৬তম জন্মদিনে বিয়ে করেন তার দীর্ঘ দিনের সঙ্গী অ্যাস্ট্রিড মেনঙকে। ২০০৬ সালে ওয়ারেন বাফেটের বার্ষিক বেতন ছিল ১ লাখ ডলার। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তার বেতন বেড়ে হয় ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। ওমাহা এলাকার ডান্ডিতে তিনি ৩১ হাজার ৫০০ ডলার দিয়ে বর্তমান বাড়িটি কিনেছিলেন। এর বর্তমান দাম ৭ লাখ ডলার। এছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার লেগুনা বিচে রয়েছে তার ৪০ লাখ ডলার দামের একটি বাড়ি। 

তিনি খুব ভাল তাস খেলতে জানেন। তাস খেলেন শ্যারন ওসবার্গ ও বিল গেটসের সঙ্গে। সপ্তাহে ১২ ঘণ্টা কাটে তার তাস খেলে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে খবর প্রকাশিত হয় যে, ওয়ারেন কোন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। তাছাড়া তার ডেস্কে নেই কোন কম্পিউটার। তার কোম্পানি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে এখন ৬৩টি কোম্পানির মালিক। এসব কোম্পানির প্রধান নির্বাহী অফিসারকে তিনি বছরে মাত্র একটি চিঠি লেখেন। তাতে সারা বছরের কর্মকৌশল বলে দেয়া থাকে। নিয়মিত তাদেরকে নিয়ে তিনি মিটিং করেন না। এজন্য তার পরামর্শ হলো- ঠিক জায়গায় ঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচিত কর্বন। অর্থাৎ ঠিক জায়গায় ঠিক ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হলে তাকে কাজের কথা বলে দিতে হয় না। ওয়ারেন বাফেট তার নির্বাহীদের দু’টি মাত্র নিয়ম বলে দিয়েছেন। তার প্রথমটি হলো- শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ নষ্ট করো না। দ্বিতীয় নিয়মটি হলো- প্রথম নিয়মকে ভুলে যাবে না। লক্ষ্য স্থির করো এবং সেদিকে লোকের দৃষ্টি কাড়তে চেষ্টা করো। 

তার জীবনধারাকে স্পর্শ করেনি সমাজের উচ্চশ্রেণীর সামাজিকতা। তিনি নিজেই নিজের খাবার তৈরি করেন। কিছু পপকর্ন নিজেই প্রস্তুত করে খান এবং বাসায় বসে টেলিভিশন দেখেন। তার সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিল গেটসের পরিচয় হয় মাত্র ৫ বছর আগে। তখনও বিল গেটস জানতেন না যে, ওয়ারেনের সঙ্গে তার অনেকটাই মিল আছে। ফলে মাত্র আধা ঘণ্টা পর তিনি ওয়ারেনের সঙ্গে দেখা করেন। যখন ওয়ারেনের সঙ্গে তার দেখা হয় তা স্থায়ী হয়েছিল দশ ঘণ্টা। এর পর থেকেই তার ভক্ত হয়ে যান বিল গেটস। 

যুব সম্প্রদায়ের জন্য ওয়ারেন বাফেটের পরামর্শ হলো- ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক লোন থেকে দূরে থাকুন। নিজের যা আছে তাই বিনিয়োগ করুন। মনে রাখবেন- ক) টাকা মানুষ সৃষ্টি করে না। কিন্তু মানুষ টাকা সৃষ্টি করে। খ) যতটা সম্ভব জীবনধারাকে সহজ-সরল করার চেষ্টা করুন। গ) অন্যরা যা বলে তাই করবেন না। তাদের কথা শুনুন। তারপর আপনার যা ভাল মনে হয় তাই করুন। ঘ) অপ্রয়োজনীয় কোন বিষয়ে অর্থ খরচ করবেন না। ঙ) জীবন আপনার। সেজন্য আপনার জীবনকে চালাতে অন্যদের কেন সুযোগ দেবেন?


সহায়তা /সুত্র : ইন্টারনেট,

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS