Md. Afrooz Zaman Khan

Afrooz
Md. Afrooz Zaman Khan. Powered by Blogger.
RSS

নোবেলে শান্তি সন্ধান


     
মালালা ইউসুফজাই


চির বৈরী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান। তাদের বিরোধপূর্ণ সীমান্তে চরম উত্তেজনা, গোলাগুলি, বারুদের ঝাঁজাল গন্ধ। উভয় পক্ষে প্রায় এক কুড়ি প্রাণহানির মধ্যেই নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের কৈলাস সত্যার্থীকে যৌথভাবে চলতি বছর শান্তিতে নোবেল দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অনেকের এখন প্রশ্ন, এই নোবেল পুরস্কার দেশ দুটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কী ভূমিকা রাখবে? জবাব দেওয়াটা বেশ কঠিন।
দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার বৈরিতার ইতিহাস দীর্ঘ। ১৯৪৭ সালে জন্মের পর থেকেই তাদের মধ্যে সীমান্তসহ নানা বিষয়ে চরম বিরোধ ও মতপার্থক্য বিরাজ করছে। তারা একাধিক যুদ্ধেও জড়িয়েছে। শত চেষ্টায়ও দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু শক্তিধর দেশ দুটির মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা টানা সংঘর্ষে ভারতের অন্তত আটজন নিহত ও ৬০ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের ১২ জন নিহত ও ৪৩ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি আপাতত কিছুটা শান্ত। তবে দুপক্ষের মধ্যে আরও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ভারতের পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ার করে বলা হয়েছে, সীমান্তে গুলি ছুড়ে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। এ জন্য দেশটিকে চরম মূল্য দিতে হবে। জানমালের ক্ষতি স্বীকার করে হলেও পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিতে ভারত পিছ-পা হবে না বলেও শোনা যাচ্ছে।
প্রতিপক্ষকে শাসাতে পাকিস্তানও কম যায়নি। অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের জন্য উল্টো ভারতকেই দুষছে ইসলামাবাদ। একই সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিজেদের সক্ষমতা সম্পর্কে উভয় দেশই অবগত। যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই দেশের নেতাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার যেকোনো চেষ্টার জবাব পূর্ণ শক্তিতেই দেবে ইসলামাবাদ। সীমান্তে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত।
ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের বৈরিতার এই গুরুতর নাজুক পর্যায়ে মালালা ও কৈলাসের যৌথভাবে শান্তির নোবেলপ্রাপ্তি অনেকের কাছে আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, এই পুরস্কারের সুবাদে বরফ গলবে। দুই দেশ শান্তি প্রতিষ্ঠায় উৎসাহী হবে। অন্তত নোবেল কমিটি তেমনটা ভাবতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কোনো শুভ লক্ষণ দেখা যায়নি।
মালালা ও কৈলাস যৌথভাবে শান্তির নোবেল পেয়েছেন ঠিকই। কিন্তু তাঁদের অবদানের ক্ষেত্র শিশু, শিক্ষা ও শৈশব। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহাসিক সংঘাত বন্ধে তাঁরা কোনো অবদান রাখেননি। তাই দেশ দুটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই পুরস্কার খুব একটা কাজে দেবে বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ নেই।
১৭ বছর বয়সী মালালা নারীশিক্ষা আন্দোলনের কর্মী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকার এই কিশোরী তালেবানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মেয়েদের শিক্ষালাভের অধিকারের পক্ষে কাজ করায় ২০১২ সালের অক্টোবরে তার মাথায় গুলি করে জঙ্গিরা। যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠে সে। এখন বার্মিংহামে থেকে পড়ালেখা করছে মালালা। তার আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়েছে। বিখ্যাত টাইম সাময়িকীর বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তার নাম উঠেছে। অনেক সম্মানজনক পুরস্কার তার ঝুলিতে জমা হয়েছে। বিশ্বের কাছে নারীশিক্ষা আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছে এই কিশোরী।

কৈলাস সত্যার্থী

৬০ বছর বয়সী কৈলাস কাজ করেন শিশু অধিকার নিয়ে। তিনি ২৬ বছর বয়সে শিশু অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নামেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘বাচপান (শৈশব) বাঁচাও আন্দোলন’ নামের সংস্থাটি শিশুশ্রম নিরসন, শিশু অধিকার আদায় ও মানব পাচার অবসানের লক্ষ্যে কাজ করে। তাঁর নেতৃত্বে ভারতের ৮০ হাজার শিশু শ্রম-দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছে। মহাত্মা গান্ধীর এই অনুসারী বৈশ্বিক শিক্ষা অভিযান ও শিশুশ্রমবিরোধী বৈশ্বিক পদযাত্রারও প্রধান।
নরওয়েজীয় নোবেল কমিটির কাছ থেকে গত সপ্তাহে মালালা ও কৈলাসকে যৌথভাবে শান্তির পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাটি আসে। কমিটি বলে, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে শিক্ষার জন্য ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে একই লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন একজন মুসলিম ও একজন হিন্দু, একজন পাকিস্তানি ও একজন ভারতীয়।
মালালা ও কৈলাস নোবেল পাওয়ার পর গণমাধ্যমে যেসব প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, তা ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহব্যঞ্জক।
শান্তিতে নোবেল গ্রহণের উপলক্ষকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এক ছাদের নিচে মিলিত করার ভাবনা মালালার। সেই ভাবনা থেকেই লন্ডনে গণমাধ্যমকে মালালা বলেছে, ‘আমাদের পুরস্কার নেওয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে অনুরোধ জানাচ্ছি।’
দুই দেশের সীমান্তের সর্বশেষ পরিস্থিতিও মালালার নজর এড়ায়নি। এ প্রসঙ্গে এই কিশোরী বলেছে, ‘পাকিস্তান ও ভারতের সীমান্তে উত্তেজনা চলছে। শান্তি, উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য আমরা লড়াই করতে চাই।’
শান্তির জন্য কৈলাসও উন্মুখ। তিনি মালালাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের দুজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
মালালার উদ্দেশে কৈলাসের উদার আহ্বান, ‘চলো, আমরা শান্তির জন্য হাত মেলাই।’
মালালার সঙ্গে নোবেল ভাগাভাগির বিষয়টি শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুই দেশকে উৎসাহিত করবে বলে এনডিটিভির কাছে মত ব্যক্ত করেছেন কৈলাস। তবে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে সময় লাগবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে আরও অনেকে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা ও এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক (১৯৯৩) কিংবা উত্তর আয়ারল্যান্ডের জন হিউম ও ডেভিড ট্রিমবেলের (১৯৯৮) কথা বলা যায়। দীর্ঘ সংঘাত অবসানে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের ওই পুরস্কার দেওয়া হয়। কিন্তু মালালা-কৈলাসের অবদান ভিন্ন। জন্ম থেকে এ অবধি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলা সংঘাত নিরসনে তাঁদের কোনো অবদান নেই। কাজের ধরনের (নারীশিক্ষা ও শিশু অধিকার) কারণে এ বিষয়ে ভবিষ্যতে তাঁরা কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও খুব একটা আশাবাদী হওয়া যায় না।
এখন দ্বিপক্ষীয় শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগটি দুই দেশের অন্য কোনো জুটি শুরু করতে পারেন। সেই উদ্যোগ সফল হলে শান্তিতে নোবেল ভাগাভাগির আরেকটি ঘোষণা প্রত্যাশা করাই যায়।
 
 
 
 
 
 
 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর




ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
আবুল মোমেন
প্রচ্ছদ: কাইয়ুম চৌধুরী
প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন
৬৫ পৃষ্ঠা
দাম: ১৫০ টাকা।
ব্যক্তির কীর্তি ও মহত্ত্ব সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলে তাঁর প্রকৃত নামটি চাপা পড়ে যায়, উপাধির আলোকচ্ছটায়। বাঙালি সমাজেই নয়, সমগ্র পৃথিবীতে এমন নজির সত্য ও প্রমাণিত, যদিও আজকের দিনে তা বিরলও। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নামের মানুষটি যেমন মহৎ ও বিদ্যান, উদার মনের নমস্য বাঙালিও। তাঁর নাম কে না জানে! তাঁর প্রকৃত নাম যে ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধির আড়ালে সেটি ঢাকা পড়ে গেছে। ‘বিদ্যাসাগর’ আদতে সেকালের একটি উপাধি, নির্দিষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পাওয়া যেত। কিন্তু ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্বান ও বিদ্যা বিতরণে নিবেদিত মানুষ হিসেবে এমনই খ্যাতিমান হয়েছেন যে এই উপাধি তাঁরই একচেটিয়া হয়ে উঠেছে। তিনি ছাড়া, আর দ্বিতীয় কোনো বিদ্যাসাগর উপাধিধারীর কথা শোনা যায় না। তাঁর প্রয়াণের সোয়া শ বছর পরেও এই পরিচয়টিই যথার্থ।

এই বই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে নিয়ে। সরল জীবনীটুকুই নয়, তাঁর জন্ম, বেড়ে ওঠা, স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব গড়ে নিয়ে সমাজ ও কালকে অতিক্রম করে মনন-নৈতিকতা-ওজস্বিতা এবং নেতৃত্বে তিনি কীভাবে কালজ হয়ে উঠলেন, সবকিছুর সুনিপুণ আর তথ্যনিষ্ঠ বিবরণ পাওয়া যাবে এতে।

বিদ্যাসাগরের জীবন কেটেছে বাংলার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ক্রান্তিকালে। দারিদ্র্য ও শোষণ বাঙালির সমাজজীবনকে ক্ষয় করে ফেলেছিল। শিক্ষা, ইংরেজ শাসন ও সামাজিক কুসংস্কার ইত্যাদি বিষয়ে রামমোহন রায় থেকে শুরু করে অনেকেই বাংলার নবজাগরণে ভূমিকা রেখেছিলেন। কিন্তু তাঁদের প্রত্যেকেই ছিলেন শহুরে বণিক পরিবারের। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন বিদ্যাসাগর। তিনি ছিলেন গ্রামের ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান। সাত ভাই আর তিন বোনের মধ্যে সবার বড় তিনি।

জীবনী রচনার প্রকরণে এখন বদল ঘটেছে। বংশপরিচয়, বাল্যজীবন, শিক্ষাজীবন, কর্মজীবনের গড্ডলিকা এড়িয়ে তাই এই বইটির লেখক আবুল মোমেন বেছে নিয়েছেন সুন্দরতর এক ভঙ্গি। বলা যেতে পারে, প্রায় আত্মজীবনীর পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি বিদ্যাসাগরকে তুলে ধরেছেন, বিচার করেছেন দেশকালের পরিমণ্ডলে। সমগ্র জীবনের কথাই এতে উঠে এসেছে তথ্যপূর্ণ ও ইতিহাস-সমর্থিতভাবে। কিন্তু তথ্যের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েনি কখনো। এই অভিনব কারণেই আনন্দময় পাঠানুভূতির ভেতর দিয়ে বইটি একবৈঠকে পড়ে ওঠা যায়।

বিদ্যাসাগর, সমকালে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় ছিলেন, তেমনি নিন্দুকদের উৎপীড়ন আর প্রতিরোধে কম অতিষ্ঠ হননি। কিন্তু তবু, মেধা ও পাণ্ডিত্যের সমন্বয়ে মানবিক গুণাবলির অতুলনীয় উদাহরণ তিনি। শিক্ষা-সমাজ সংস্কার এবং নেতৃত্বেও। এমন দৃঢ়চেতা, সাহসী ও মানবিক মানুষ অত্যন্ত বিরল। ফলে তাঁর জীবন ও ভাবনাসমুচ্চয় সময়-সমাজকে ছাড়িয়ে ভারতবর্ষের চিরকালীন সম্পদ।

লেখক আবুল মোমেন আড্ডা বা মঞ্চে যেভাবে আটপৌরে ভাষায় কথা বলেন, এই বই লেখার ক্ষেত্রেও বহাল রেখেছেন সেই ভাষাটিই। এ গ্রন্থের বয়নকৌশল মুগ্ধকর।

‘কীর্তিমান বাঙালি’ সিরিজের এই বইয়ে বিদ্যাসাগরের জীবনকে দূর থেকে নয়, যেন বা খুব কাছ থেকে বৈচিত্র্যময়ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক। এর মাধ্যমে গ্রন্থকারের অনুসন্ধিৎসু ও সংবেদী মানসব্যাপ্তি টের পাওয়া যায়, মনের প্রসারতাটুকুও।
তৎকালীন সমাজে বিদ্যাসাগরের গুরুত্ব কেমন ছিল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য থেকে সেটি অনুধাবন করা যায়, ‘তিনি বিজ্ঞ, শাস্ত্রজ্ঞ, দেশহিতৈষী এবং সুলেখক, ইহা আমরা বিস্মৃত হই নাই। বঙ্গদেশ তাঁহার নিকট অনেক ঋণে বদ্ধ। এ কথা যদি আমরা বিস্মৃত হই, তবে আমরা কৃতঘ্ন।’

কিন্তু দু শতক আগে, অনগ্রসর ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন যুগে একজন বিদ্যাসাগর যে মানবিক-সামাজিক-নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করলেন, স্বচেষ্টায় দেশকালকে ছাপিয়ে হয়ে উঠলেন অতুলনীয় ও কীর্তিমান—পুরো ব্যাপারটি ভাবলে বিস্ময় জাগে! আমাদের প্রযুক্তির ঝলমলে সময়ে, এখন বিদ্যাসাগরীয় দূরে থাকুক, তাঁর ছায়াতুল্য ব্যক্তিত্বের গড়ে ওঠাটুকুও দুর্লভ হয়ে পড়েছে। ও শুধু বইয়ে লেখা গল্প। রূপকথা। এই সমাজ ও সময়ে যথেষ্ট মননশীল, চিন্তাশীল, মুক্তমনের মানবিক, তাত্ত্বিক মানুষ কেন তৈরি হচ্ছে না! ভাবি, ভাবনাটুকু দীর্ঘশ্বাস হয়ে  ফিরে আসে।




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

মুস্তাফিজ.....




মুস্তাফিজুর রহমান: বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন বিস্ময় 

আর দশটা মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো তাঁর মা-বাবারও স্বপ্ন ছিল ছেলে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হোক, সফল হোক। কিন্তু শিশুকাল থেকে ছেলেটির মন পড়ে থাকত ক্রিকেটের ব্যাট আর বলের দিকে। এতে পরিবারের সবার ছিল ঘোর আপত্তি। ব্যাট-বল কেড়ে নিয়ে তাঁকে জোর করে বসানো হতো পড়ার টেবিলে। খেলতে না দিলে কান্নাকাটি করে সবাইকে অস্থির করে তুলতেন তিনি। সেই ছেলেটিই বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিস্ময় বালক মুস্তাফিজুর রহমান। ১৮ জুন ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নিজের অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বিজয় নিশ্চিত করেন, হন ম্যান অব দ্য ম্যাচ।
সাতক্ষীরা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে মুস্তাফিজের বাড়ি। তাঁর বাবা ব্যবসায়ী আবুল কাশেম আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলে এখন আর আমার নাই, ও এখন ১৬ কোটি মানুষের সন্তান। ওর ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়া লাগবে না, ও ক্রিকেটই খেলুক।’



আবুল কাশেম গাজী: মুস্তাফিজের বাবা

মুস্তাফিজের জন্ম ১৯৯৫ সালে সেপ্টেম্বরে। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি। পরিবারের সব প্রতিকূলতার মধ্যে মুস্তাফিজের পাশে এসে দাঁড়ান তাঁর সেজো ভাই মোখলেছুর রহমান। তিনিই নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন আজকের মুস্তাফিজকে।
এই প্রতিবেদককে মোখলেছুর রহমান জানান মুস্তাফিজের ক্রিকেটার হয়ে ওঠার গল্প। তিনি ও মেজো ভাই জাকির হোসেন গ্রামে টেনিস বলে ক্রিকেট খেলতেন। ১০-১২ বছর বয়স থেকে মুস্তাফিজও তাঁদের সঙ্গী হন। গ্রামের তেঁতুলিয়া মাঠের এক খেলায় তাঁরা তিন ভাই-ই খেলছিলেন। তখন মুস্তাফিজ ব্যাটিং করতে ভালো বাসতেন। প্রতিপক্ষের একজন ব্যাটসম্যানকে কিছুতেই আউট করা যাচ্ছে না। মুস্তাফিজের হাতে তিনি তুলে দিলেন বল। প্রথম বলেই মুস্তাফিজ প্রতিপক্ষের সেই অপ্রতিরোধ্য ব্যাটসম্যানকে আউট করেন। তারপর বোলার হওয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েন। বরেহা মিলনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করার পরপরই যাতে বাইরে খেলাধুলা করতে যেতে না পারেন, এ জন্য বাড়িতে দেওয়া হলো চারজন প্রাইভেট শিক্ষক। কিন্তু স্কুল পালিয়ে তিনি চলে যেতেন ক্রিকেট মাঠে। মোখলেছুর বলেন, ‘আমার বন্ধু মিলনের পরামর্শে সাতক্ষীরা গণমুখী ক্লাবের ক্রিকেট কোচ আলতাফ ভাইয়ের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো। আলতাফ ভাইয়ের পরামর্শে মুস্তাফিজ সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-১৪ প্রাথমিক বাছাই উত্তীর্ণ হয়। তারপর সাতক্ষীরায় ক্রিকেট একাডেমির মুফসসিনুল ইসলামের কাছে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু হয়।’


মোখলেছুর রহমান: মুস্তাফিজের সেজভাই

মোখলেছুর রহমান প্রতিদিন ভোর রাতে তেঁতুলিয়া থেকে ৪৫ কিলোমিটার দুরে মোটরসাইকেলে করে সাতক্ষীরা নিয়ে আসতেন প্রশিক্ষণের জন্য। অনূর্ধ্ব-১৪ হয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ দলে খেলে ধারাবাহিকভাবে সফল হয়েছেন মুস্তাফিজ। এরপর এলেন ঢাকার শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফাস্ট বোলিং ক্যাম্পে ট্রায়াল দিতে। সেখানে এসে কোচদের নজর কাড়েন। এরপর অনূর্ধ্ব-১৯ খেলেছেন নিয়মিত।
বাংলাদেশ দলে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে সবাই চেনে ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ নামে। অভিষেকেই আলো ছড়ানো ক্রিকেটের নতুন বিস্ময় মুস্তাফিজকে কি তবে ডাকা যায় ‘সাতক্ষীরা





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

গল্পে শোনা বাবা


মনে পড়ছে, মা ও নানার সঙ্গে কাটানো ছোটবেলার কথা। একটা আমগাছের নিচে বসে আমার চুলে হাত বোলাতে বোলাতে নানির কাছে শোনা বাবার গল্প। আমার ছোটবেলা জুড়ে ছিল এক অকল্পনীয় সারল্য। আশপাশের মানুষের মধ্য থেকে যে সারল্য হারিয়ে গেছে অনেক আগেই।

আমার শ্বেতাঙ্গ মা ও কৃষ্ণাঙ্গ বাবা অনেক বেশি জানতেন, অনেক কিছু দেখেছিলেন তাঁরা। আফ্রিকান আর আমেরিকান মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি তাঁদের হৃদয়ে মিশে ছিল। যারা আমাকে চিনত না, আমার পরিচয় আবিষ্কার করে (আবিষ্কার বলছি এ জন্য যে ১২-১৩ বছর বয়সে আমি কেবল আমার মায়ের কথাই বলে যেতাম, যাতে আমাকে শ্বেতাঙ্গদের একজন বলে মনে হয়) সেটা হজম করে নিতে তাদের কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করতে হতো। তারা আসলেই আর আমাকে বুঝে উঠতে পারত না। মিশ্র বংশপরিচয়, মানসিক দ্বন্দ্ব আর দুই মেরুর বিপরীত অনুভূতি তাদের বোঝানো যেত না। আমি মানুষকে তাদের সন্দিহান মনের জন্য দোষ দিই না। আমি অনেক আগেই আমার ছোটবেলার গল্প থেকে নিজেকে আলাদা করে নিতে শিখেছিলাম। অনেক পরে, যখন আমি আফ্রিকার লালচে মাটিতে আমার বাবার কবরের পাশে বসে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছি, কেবল তখন আমার শৈশব আমার কাছে ফিরে এসেছিল। তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম, কত দীর্ঘ সময় ধরে আমি আমার জীবনের গল্প নতুন করে লিখতে চেয়েছি। আমার ইতিহাসকে নতুন করে সাজাতে চেয়েছি। আমার দুর্বলতা, ব্যর্থতা লুকিয়ে নিজের শৈশব আর পরিবারকে আগলে রাখতে চেয়েছি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিজেকে বাঁচিয়ে চলার আপ্রাণ চেষ্টা, পিতার খোঁজে এক ছেলের অন্তহীন যাত্রা এবং একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানের সংগ্রামের গণ্ডি থেকে আমি বের হতে পারিনি।

.



বাবা যখন মারা যান, তখন তিনি আমার কাছে ক্রমশ অস্পষ্ট হয়ে আসা একটা অস্তিত্ব। তিনি হাওয়াই ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন সেই ১৯৬৩ সালে, আমি তখন দুই বছরের শিশু। তাই ছোটবেলায় বাবার স্মৃতি বলতে মা আর নানা-নানির বলা গল্পগুলোই ছিল সম্বল।
‘তোমার বাবা একটু কর্তৃত্বপরায়ণ ছিল ঠিকই’, মা অল্প হেসে বলতেন, ‘কিন্তু প্রচণ্ড সৎ ছিল বলেই এমন করত, সবকিছু মুখ বুজে মেনে নেওয়া তার স্বভাবের মধ্যে ছিল না।’
বাবাকে নিয়ে মায়ের প্রিয় গল্প ছিল, যখন বাবা একটা বড় অনুষ্ঠানে জিনস আর চিতার ছাপওয়ালা একটা পুরোনো শার্ট পরে পুরস্কার নিতে এসেছিলেন! ‘কেউ তাকে বলেনি এত জমকালো একটা অনুষ্ঠান হবে, সে এত বড় সম্মান পেতে যাচ্ছে। সে গটগট করে ভেতরে ঢুকে দেখে, রুমভর্তি সব মানুষ ডিনারের জ্যাকেট পরে এসেছে! জীবনে আমি সেই একবারই তাকে লজ্জিত হতে দেখেছি।’
‘কিন্তু একটা জিনিস জানো ব্যারি, তোমার বাবা, যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারত, তা যা-ই হোক না কেন। আর এ জন্যই সবাই তাকে পছন্দ না করে পারত না।’
গল্প শেষে নানা মাথা নাড়তে নাড়তে উঠে যেত, আর বলত, ‘বাবার কাছ থেকে একটা জিনিস তোমার শেখা খুব দরকার। আত্মবিশ্বাস। সফল হতে হলে এর কোনো বিকল্প নেই।’
এভাবে আমি বসে বসে বাবার গল্প শুনতাম। তাঁর কিছু সাদা-কালো ছবি ছিল, আলমারির ভেতর রাখা। আমি একটু বড় হয়ে গেছি যখন, তত দিনে মায়ের সম্পর্ক শুরু হয়েছে আর একজনের সঙ্গে, যাকে পরে মা বিয়ে করেন। আমাকে কেউ না বললেও আমি বুঝতাম, কেন বাবার ছবিগুলো আলমারির ভেতর ফেলে রাখা হয়। কালেভদ্রে আমি আর মা মেঝেতে পা ছড়িয়ে বসে ধুলোমাখা অ্যালবামটা দেখতাম। আমি একদৃষ্টে বাবার দিকে তাকিয়ে থাকতাম, হাসিতে ভরা একটা মুখ, চওড়া কপাল আর চোখে পুরু চশমা, তাতে বয়সের চেয়েও বড় দেখায়। এই মানুষটাই আমার বাবা।
বাবা ছিলেন আফ্রিকান, আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, কেনিয়ার লুও গোত্রের। তার জন্ম হয়েছিল ভিক্টোরিয়া লেকের পাশে, অ্যালেগো নামে একটা জায়গায়। বাবার গ্রামের লোকজন ছিল বেশ গরিব, কিন্তু আমার দাদা হুসেইন ওনিয়াঙ্গো ওবামা ছিলেন খুব বড় চাষি, গোত্রের প্রধানের প্রায় সমকক্ষ। বাবা ছোটবেলায় ছাগল চরাত আর স্থানীয় স্কুলে পড়ত। স্কুলটা ছিল ব্রিটিশদের বানানো, খুব ভালো রেজাল্ট করে ওখান থেকেই স্কলারশিপ পেয়ে নাইরোবিতে পড়ার সুযোগ পান। কেনিয়া স্বাধীন হওয়ার কিছু আগে বাবা সুযোগ পান যুক্তরাষ্ট্রে এসে পড়াশোনা করার। বাবা ছিলেন প্রথম কয়েকজনের একজন, যাঁদের দেশের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয় পশ্চিমা প্রযুক্তি শিখে এসে নতুন আফ্রিকা গড়ার জন্য।
১৯৫৯ সালে বাবা ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াইয়ে এসে পৌঁছান। তিনি ছিলেন এখানকার প্রথম কালো শিক্ষার্থী। ইকোনোমেট্রিক্স নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। অসম্ভব মেধাবী বললে ভুল হবে না। প্রচণ্ড মনোযোগ দিয়ে কাজ করে তিন বছরের মাথায় গ্র্যাজুয়েশন করেন, তাও আবার ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে। ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন গড়ে তুলতে তিনি সহায়তা করেন, আর সেখানকার প্রথম সভাপতিও নির্বাচিত হন। একটা রাশিয়ান কোর্সে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় এক লাজুক মার্কিন মেয়ের, বয়স মাত্র ১৮। তাঁরা একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেন। মেয়েটির বাবা-মা প্রথমে খুবই চিন্তিত ছিলেন, কিন্তু ছেলেটির ব্যক্তিত্ব আর বুদ্ধি দেখে মুগ্ধ হয়ে তাঁরা আর না করতে পারেননি। খুব শিগগিরই তাঁদের বিয়ে হয়, এক ছেলেরও জন্ম হয়। নিজের নামে ছেলের নাম রাখেন তিনি ‘বারাক’। তারপর আরেকটা স্কলারশিপ পান হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করার জন্য, কিন্তু নতুন পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার মতো আর্থিক সংগতি ছিল না। আলাদা হয়ে যান তাঁরা। পড়াশোনা শেষে বাবা আফ্রিকায় ফিরে যান, মায়ের সঙ্গে একমাত্র ছেলে থেকে যায় বহুদূরে। কিন্তু দূরত্ব যতই হোক, ভালোবাসা থেকে যায়।

সূত্র: বারাক ওবামার ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার বইয়ের প্রথম অধ্যায়। ইংরেজি থেকে নির্বাচিত অংশ.










  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

10 Secret To Remove Anger Behavior


If you have anger behavior, don't worry. ALL TOP SECRET (ATS) presents "Something About Anger" and "10 Secret To Remove Anger Behavior". Use these Secrets and live anger free life..........                            

                      Something About Anger


                AK1 


1- The sharpest sword is a word spoken in wrath. - Gautama Buddha

2- Anger makes you smaller, while forgiveness forces you to grow beyond what you are. - Cherie Carter-Scott

3- Anger at lies lasts forever. Anger at truth can't last. - Greg Evans

4- Don't hold to anger, hurt or pain. They steal your energy and keep you from love. - Leo Buscaglia


             AK2

5- Anger is an acid that can do more harm to the vessel in which it is stored than to anything on which it is poured. - Mark Twain

6- Holding on to anger is like grasping a hot coal with the intent of throwing it at someone else; you are the one who gets burned. - Buddha
7- Bitterness is like cancer. It eats upon the host. But anger is like fire. It burns it all clean. - Maya Angelou

         10 Secret To Remove Anger Behavior



              AK3



1- Before you open your mouth, stop and think about how and what you will say. Say what you mean, and mean what you say. Never, raise your voice.
2- Give up your bad habits. Give up drinking. Give up take drugs, cigarettes, tobacco. Alcohol use is associated with anger and violence.
3- Exercise is the good way to give up angry habits. You can practice deep-breathing exercises, yoga, morning walk and other positive physical activities.
4- You can also listen to music, imagine a relaxing scene, write in a journal and read positive thinking books and other positive mental activities.
5- Forgiveness is a powerful tool. if you can forgive someone who angered you, you might both learn from the situation. It's unrealistic to expect everyone to behave exactly as you want at all times.


             AK4
6- Sometimes, which is our surroundings, give us cause for irritation and fury. Problems and responsibilities can weigh on you and make you feel angry. Give yourself a break. Make sure you have some "personal time" in your busy day and use this time for creative and positive activities.
7- Do not drag anything on for the sake of “winning”. it’s not healthy for anyone involved.
Take action and solve problem. Be positive proactive and thoughtful.
8- For removing your anger habits, you can do positive activities, think only positive. positive thinking creates positive energy and use these energy for removing anger.
9- If you are feel every time anger and can not control yourself day by day, go to your family doctor for medication. Inability to control anger is often a real physical disorder.
10- At last point, for removing your anger, you can pray, you can meditation and you can resort spirituality to calmness.
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

Vocabulary Study



Fall dawn পড়ে যাওয়া
downfall পতন
Fit out সাজানো
Outfit সমস্ত আসবাবপত্র ও পোশাক পরিচ্ছদ
Go out নিভে যাওয়া
Outgo ব্যায়
Grow out জন্মানো
Outgrow বেশি বেড়ে যাওয়া
Hold up উপরে তোলা
Uphold রক্ষা করা
Hold with একমত হওয়া
Withhold স্থগিত করা
Holiday ছুটির দিন
Holy day পবিত্র দিন









  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

3 Secret Of Successful Life ― Word, Time And Action



Everyone wants to be success in life and live a better life. If we go in life by adopting some secrets then we can be easily success. 
Use these secrets and find a big success in life.....


increasing-ivf-success1111


1- No Difference Between Words And Actions

If you want to be a big success in your life then you should not be any difference between your words and actions. If both the difference between "what we say" and "what we do" will be finished in this world then the most problem of the world and people will be finished. In present time, there is a big problem in the world that a lot of people who have a big difference between their words and actions therefore they become fail in every part of life. If you have much difference in your words and actions then you will find much difference between success and yourself. If you have minimum difference in your words and actions then you will find minimum difference between success and yourself. Thus if you have no difference in your words and actions then you will find no difference between success and yourself. This is a universal truth. All the people who reached the pinnacle of success, they have not difference between their words and actions. People who have no difference between their words and actions, they are success in every part of life and thousands of people believe on them.

Some words about this-

“Don’t tell me about your god with your words. Show me about your god with your actions.” ― Steve Maraboli

“Well done is better than well said.”― Benjamin Franklin

“It has been noted that actions speak louder than words. Truth is, I have found that during many situations in life, words are just noise... and actions are the ONLY things that speak.” ― Steve Maraboli

“At the Day of Judgement we shall not be asked what we have read and say but what we have done.” ― Thomas à Kempis

“To assess the quality of thoughts of people, don't listen to their words, but watch their actions.” ― Amit Kalantri

"Great thoughts speak only to the thoughtful mind, but great actions speak to all mankind." ― Theodore Roosevelt


2- If You Start Any Good Work, Make Sure To Complete It

If you want to be success then whatever you do, make sure to complete it. Many people start many good work but leave it in the middle because they have much energy in the beginning time but the passage of time, they can not keep much energy and they give up work in the middle. People do often this process and do not find success in life. But those people who begin good work and don't leave it in the middle because they have much energy till end and find success in every part of life. So when you start any good work, make sure to complete it. For this, you can work in pieces and complete a piece of work then you can enjoy it then your energy will not be finished in middle. Thus you can create much energy between the work process and complete work. So when you start work, always do complete it and make sure to success in life.

Some words about this-

“Do work step by step and the work is done.” ― Charles Atlas

“Always do your best. What you plant now you will harvest later.”― Og Mandino

"Keep looking up! I learn from the past, dream about the future and look up. There's nothing like a beautiful sunset to end a healthy day." ― Rachel Boston

"Every day is a new opportunity. You can build on yesterday's success or put its failures behind and start over again. That's the way life is, with a new game every day." ― Bob Feller

"Start every day off with a smile and get it over with." ― W. C. Fields

"Do not be embarrassed by your failures, learn from them and start again." ― Richard Branson


3- Always Use Time Management In Life

If you want to be success in your life then you must use time management in life. Without this you can never start any work on right time and finish any work on right time. All exam of our life be started with a certain time and be finished with a certain time. "Time" is the most important component of all over life. People who do work on time, always be success in life. People who do not work on time, always be fail in life. Work plan is most important in our life and every work plan is based on time management. Without work plan, we can not any work correctly and on time. The secret to modern life is finding the measure in time management. Modern life have lot of work. Time management is the best way to complete all work easily. So use time management in life and be success in every part of life.

Some words about this-

 “A goal without a plan is just a wish.” ― Antoine de Saint-Exupéry

“Time is money. you delay, but time will not.time lost is never found again.” ― Benjamin Franklin

"The ability to concentrate and to use your time well is everything if you want to succeed in life." ― Lee Iacocca

"Time = life; therefore, waste your time and waste of your life, or master your time and master your life." — Alan Lakein

"Ordinary people think merely of spending time. Great people think of using it." — Author Unknown

"Don’t say you don’t have enough time. You have exactly the same number of hours per day that were given to Helen Keller, Pasteur, Michelangelo, Mother Teresa, Leonardo da Vinci, Thomas Jefferson, and Albert Einstein." — H. Jackson Brown

"Time is the coin of your life. It is the only coin you have, and only you can determine how it will be spent. Be careful lest you let other people spend it for you." — Carl Sandburg














  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS