Md. Afrooz Zaman Khan

Afrooz
Md. Afrooz Zaman Khan. Powered by Blogger.
RSS

প্রার্থীর 'কভার লেটার'-এ যে ৭টি বিষয় দেখতে চান চাকরিদাতারা





অনেক এক্সপার্টের মতে, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে রিজ্যুমির চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ কভার লেটার। এর মাধ্যমে আপনার সফলতাসহ ব্যক্তিত্বের একটি স্পষ্ট চিত্র উপস্থাপন করা যায়। আর কর্মীর সেই বিষয়টিই জানতে চায় প্রতিষ্ঠান। কর্মপ্রেরণা বুঝতে পারলেই আপনার সম্পর্কে ধারণা করতে পারবেন চাকরিদাতারা। চাকরিবিষয়ক কনসালটিরং ফার্ম 'রিজ্যুমি স্ট্র্যাটেজিস' এর বিশেষজ্ঞ অ্যালিসা গিলবার্ড জানাচ্ছেন ৭টি বিষয়ের কথা যা প্রত্যেক চাকরিদাতাই আপনার কভার লেটারে দেখতে চান।

১. যে চাকরির জন্যে প্রার্থী হিসেবে আবেদন করছেন তার খবর কোথায় পেয়েছেন তা জানিয়ে দিন কভার লেটারে। কয়েকটি পদে প্রার্থী নেওয়া হলে আপনি ঠিক কোন পদের জন্যে প্রতিযোগিতা করবেন তা নির্দিষ্ট করে দিন।

২. নিজের মূল্যায়ন করার সুযোগ ছাড়বেন না। আগের চাকরি বা জীবনের নানা সফলতা তুলে ধরুন। এমনকি এ ক্ষেত্রে কিছুটা বড়াই করাও সাজে বলে মনে করেন অ্যালিসা। প্রতিষ্ঠানের জন্যে আপনি কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন তা পরিষ্কার হবে এই অংশে।

৩. ব্যক্তিত্বের কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় এমন তথ্য তুলে ধরুন। মূল রিজ্যুমি তা তুলে ধরতে পারে না। আবার খুব বেশি ব্যক্তিগত বিষয় তুলে ধরে অপেশাদার আচরণ করবেন না। একেবারে যান্ত্রিক ভাষায় নয়, বরং কিছু আবেগের প্রকাশ ঘটতে পারে। নিজের শখ বা ভবিষ্যত পরিকল্পনার মাধ্যমে বিষয়টি উঠে আসতে পারে।

৪. চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে যা যা যে ভাষায় চাওয়া হয়েছে তার কথা তুলে ধরতে একইরকম বাক্য বা বাক্যাংশ ব্যবহার করুন। প্রতিষ্ঠানে যে ভাষায় আপনার প্রয়োজনীয় কাজগপত্র চেয়েছে, একই ভাষার ব্যবহারে তা সরবরাহ করুন।

৫. অনেকেই রেফারেন্স দেওয়ার বিষয়টি পছন্দ করেন না। কিন্তু একে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তাই চাকরিদাতার নজর কাড়তে একটা ভালো রেফারেন্স উল্লেখ করলে ভালো হয়।

৬. ইমেইলের মাধ্যমে কভার লেটার পাঠালে অন্যান্য কাগজপত্রের কপির অ্যাটাচমেন্ট গুরুত্ব রাখে। কোন কাগজটি কি প্রকাশ করছে তা পরিষ্কারভাবে অ্যাটাচমেন্টে উল্লেখ করে দেবেন।

৭. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সবকিছু অল্প পরিসরে প্রকাশ করবেন। আর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বাইরে যাবেন না। অর্থাৎ, অপ্রাসঙ্গিক বিষয় তুলে আনবেন না।

সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ঘুমানোর আগের নিয়মিত কাজ





সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। আবার দিনের কাজ সুষ্ঠুভাবে করতেও দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা জরুরি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, রাতে বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার আগের মুহূর্তের কিছু কাজও স্বাস্থ্যকর সকালের জন্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাতে সফল মানুষরা তাহলে কি করেন? এই তথ্য পেতে বিশ্বের নামকরা সফল ব্যক্তিত্বদের জীবনে ঢুঁ মেরেছেন বিশেষজ্ঞরা। এখানে ১০ জন সফল মানুষের রাতে ঘুমের আগের আয়োজন সম্পর্কে জেনে নিন।

১. মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নিশাচর। তিনি রাত জেগে কাজ করতে ভালোবাসেন। সকালে একটু দেরিতেই ওঠেন তিনি। রাত ১১টার পর থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ ফোন ধরেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন নোট লেখা থেকে শুরু করে খুঁটিনাটি কাজ চলে তার। রাত সাড়ে ১২টা বা এর পর পরই ঘুমাতে যান তিনি।

২. ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ প্রযুক্তি দুনিয়ার একজন তারকা এক্সিকিউটিভ। ইউএসএ টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ফোনকল পেয়ে রাতে ঘুম থেকে জেগে ওঠা সবচেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার। তাই বিছানায় যাওয়ার আগে আমি মোবাইল ফোনটি বন্ধ রাখি। তবে এটি বন্ধের আগে ইমেইলগুলো একটু দেখে নিই।

৩. আত্মজীবনীতে উদ্ভাবক বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন লিখেছিলেন, প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে নিজের প্রতি একটি প্রশ্নই রাখতেন তিনি। তা হলো, আর কোন দিক থেকে নিজের উন্নতি ঘটানো যায়? আরেকটি প্রশ্ন উঁকি দিতো মাথায়, আজ আমি ভালো কোন কাজটি করেছি?

৪. আমেরিকান লেখক ও ঔপন্যাসিক স্টিফেন কিংয়ের প্রতিরাতে বিশেষ কাজ ছিল। ঘুমানোর আগে তিনি দুই হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতেন। আর বিছানায় প্রতিটি বালিশের কাভারের খোলা দিকটি যেন একই দিকে মুখ করে থাকে তা নিশ্চিত করতেন। এই দুটো কাজ কেন করতেন, তা নিজেই জানেন না স্টিফেন।

৫. হাফিংটন পোস্টের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং লেখিকা আরিয়ানা হাফিংটন ঘুমানোর আগে যাবতীয় প্রযুক্তি যন্ত্র বন্ধ করে ফেলেন। এর পর কিছুক্ষণ বই পড়েন। এরপর শুধু শান্তির ঘুম।

৬. সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইস্টন চার্চিলের রাতের ঘুমের নির্দিষ্ট সময় ছিল না। তবে প্রতিদিন তিনি রাত ৮টায় ডিনার সারতেন। শুতে যাওয়ার আগে গোসল করতেন।

৭. কসমো এডিটর ইন চিফ কেট হোয়াইট লেখালেখির কাজ করতেন সকালে। তবে রাতে শুতে যাওয়ার আগে ব্লগিং এবং ম্যাগাজিন এডিটের কাজ নিয়মিত করতেন।

৮. মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের প্রতিরাতে ঘুমের আগে একটি কাজই ছিল। তিনি রাতে ঘুমানোর আগে এক ঘণ্টা করে বই পড়তেন।

৯. বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ভেরা ওয়াং 'ফরচুন' ম্যাগাজিনকে জানান, ডিজাইনের কাজে যে সব জিনিসপত্র বাড়িতে আসতো, সেগুলো নিয়ে কিছু সময় কাটাতেন ঘুমানোর আগে।

১০. আমেরিকান এক্সপ্রেস এর সিইও কেনেথ চেনাল্ট প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এমন তিনটি কাজ বেছে নিতেন, যেগুলো আগামীকাল অবশ্যই করতে হবে।

সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার - 




সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। আবার দিনের কাজ সুষ্ঠুভাবে করতেও দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা জরুরি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, রাতে বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার আগের মুহূর্তের কিছু কাজও স্বাস্থ্যকর সকালের জন্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাতে সফল মানুষরা তাহলে কি করেন? এই তথ্য পেতে বিশ্বের নামকরা সফল ব্যক্তিত্বদের জীবনে ঢুঁ মেরেছেন বিশেষজ্ঞরা। এখানে ১০ জন সফল মানুষের রাতে ঘুমের আগের আয়োজন সম্পর্কে জেনে নিন।

১. মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নিশাচর। তিনি রাত জেগে কাজ করতে ভালোবাসেন। সকালে একটু দেরিতেই ওঠেন তিনি। রাত ১১টার পর থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ ফোন ধরেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন নোট লেখা থেকে শুরু করে খুঁটিনাটি কাজ চলে তার। রাত সাড়ে ১২টা বা এর পর পরই ঘুমাতে যান তিনি।

২. ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ প্রযুক্তি দুনিয়ার একজন তারকা এক্সিকিউটিভ। ইউএসএ টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ফোনকল পেয়ে রাতে ঘুম থেকে জেগে ওঠা সবচেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার। তাই বিছানায় যাওয়ার আগে আমি মোবাইল ফোনটি বন্ধ রাখি। তবে এটি বন্ধের আগে ইমেইলগুলো একটু দেখে নিই।

৩. আত্মজীবনীতে উদ্ভাবক বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন লিখেছিলেন, প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে নিজের প্রতি একটি প্রশ্নই রাখতেন তিনি। তা হলো, আর কোন দিক থেকে নিজের উন্নতি ঘটানো যায়? আরেকটি প্রশ্ন উঁকি দিতো মাথায়, আজ আমি ভালো কোন কাজটি করেছি?

৪. আমেরিকান লেখক ও ঔপন্যাসিক স্টিফেন কিংয়ের প্রতিরাতে বিশেষ কাজ ছিল। ঘুমানোর আগে তিনি দুই হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতেন। আর বিছানায় প্রতিটি বালিশের কাভারের খোলা দিকটি যেন একই দিকে মুখ করে থাকে তা নিশ্চিত করতেন। এই দুটো কাজ কেন করতেন, তা নিজেই জানেন না স্টিফেন।

৫. হাফিংটন পোস্টের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং লেখিকা আরিয়ানা হাফিংটন ঘুমানোর আগে যাবতীয় প্রযুক্তি যন্ত্র বন্ধ করে ফেলেন। এর পর কিছুক্ষণ বই পড়েন। এরপর শুধু শান্তির ঘুম।

৬. সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইস্টন চার্চিলের রাতের ঘুমের নির্দিষ্ট সময় ছিল না। তবে প্রতিদিন তিনি রাত ৮টায় ডিনার সারতেন। শুতে যাওয়ার আগে গোসল করতেন।

৭. কসমো এডিটর ইন চিফ কেট হোয়াইট লেখালেখির কাজ করতেন সকালে। তবে রাতে শুতে যাওয়ার আগে ব্লগিং এবং ম্যাগাজিন এডিটের কাজ নিয়মিত করতেন।

৮. মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের প্রতিরাতে ঘুমের আগে একটি কাজই ছিল। তিনি রাতে ঘুমানোর আগে এক ঘণ্টা করে বই পড়তেন।

৯. বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ভেরা ওয়াং 'ফরচুন' ম্যাগাজিনকে জানান, ডিজাইনের কাজে যে সব জিনিসপত্র বাড়িতে আসতো, সেগুলো নিয়ে কিছু সময় কাটাতেন ঘুমানোর আগে।

১০. আমেরিকান এক্সপ্রেস এর সিইও কেনেথ চেনাল্ট প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এমন তিনটি কাজ বেছে নিতেন, যেগুলো আগামীকাল অবশ্যই করতে হবে।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/miscellaneous/2015/05/01/217002#sthash.QCZxmGho.dpuf

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS