Md. Afrooz Zaman Khan

Afrooz
Md. Afrooz Zaman Khan. Powered by Blogger.
RSS

চিকিৎসক হতে চাও?



আনিকা তাহসিন


আমি নতুনদের বলব ‘থিঙ্ক পজিটিভ’। হবে না, পারব না—এ ধরনের কথাবার্তা ভুলে যাও। সব সময় মনে করবে, আমি পারবোই।
মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্নের জন্য বরাদ্দ থাকে ১০০ নম্বর। এর মধ্যে জীববিজ্ঞান (প্রাণী+উদ্ভিদ)=৩০, রসায়ন (১ম + ২য়)=২৫, পদার্থবিজ্ঞান (১ম + ২য়)=২০, ইংরেজি=১৫, সাধারণ জ্ঞান=১০। এখানে নম্বর বণ্টন দেখেই বোঝা যাচ্ছে, জীববিজ্ঞান এবং রসায়নের গুরুত্ব বেশি। চলো, প্রতিটি বিষয়ে একটা ধারণা দেওয়া যাক।

জীববিজ্ঞান
প্রাণিবিজ্ঞান বই থেকেই বেশির ভাগ প্রশ্ন করা হয়। বিশেষ করে মানবদেহ অধ্যায়। তাই মানবদেহের খুঁটিনাটি তথ্যগুলো ভালোভাবে ঝালিয়ে নাও। পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে প্রতিটি তন্ত্র ও প্রক্রিয়াগুলোর ওপর। উদ্ভিদবিজ্ঞানের জন্য উদ্ভিদের ভিন্নতা, জৈবনিক প্রক্রিয়া এই বিষয়গুলো থেকেও বিগত বছরগুলোয় অনেক প্রশ্ন আসতে দেখা গেছে। কোন বিজ্ঞানী কোন মতবাদের জন্য বিখ্যাত, কোন সূত্রটি কত সালে আবিষ্কৃত হয়েছে, এসব তথ্য নখদর্পণে থাকতে হবে। তবে ভর্তি পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সংজ্ঞা, বইয়ের সব ছক বৈশিষ্ট্য, পার্থক্য—এই অংশগুলো থেকেও প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি।

রসায়নরসায়ন দ্বিতীয় পত্র থেকে প্রশ্ন করা হয় বেশি। যেসব বিক্রিয়া বিজ্ঞানের নামে নামাঙ্কিত, সেসব বিক্রিয়া ও তার আবিষ্কারের সাল খেয়াল রেখো। সবচেয়ে গুরুত্ব দাও মৌলের পর্যাবৃত্ত ধর্ম, ডি-ব্লক মৌল, জৈব অ্যাসিড, হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি বিষয়ে। রাসায়নিক বন্ধন, তড়িৎ রাসায়নিক কোষ, অ্যালডিহাইড ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ নজর দাও।

পদার্থবিজ্ঞানপদার্থবিজ্ঞানে যেসব সূত্র খুব বেশি পরিচিত, আবার যেসব সূত্র ব্যবহার করে সহজে ছোট অঙ্ক কষা যায়, সেসব প্রশ্নই দেওয়া হয়। যেহেতু পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর নিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই, তাই এ জাতীয় প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর মনে রাখার বিকল্প নেই। সঙ্গে সঙ্গে পার্থক্য, একক মান ইত্যাদি যত ছক আছে, ভালোভাবে মনে রেখো।

ইংরেজি
Vocabulary-তে যে যত ভালো, এই অংশে নম্বর ওঠানোর সুযোগও বেশি। তাহলে Synonym-Antonym নিয়ে তেমন বেগ পেতে হবে। Right Form of Verb, Tense, Parts of speech থেকে প্রতিবছরই প্রশ্ন করা হয়। Narration, Voice, Phrase and Idioms, Preposition নিয়ে একটু বাড়তি মনোযোগ দাও।
সাধারণ জ্ঞান
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘটে যাওয়া আলোচিত ঘটনাগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখার জন্য দৈনিক পত্রিকাগুলোয় প্রতিদিন চোখ বোলাও। এ ছাড়া ক্ষুদ্রতম, বৃহত্তম, প্রথম ও একমাত্র—এ ধরনের বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দাও। বিসিএস পরীক্ষার গত কয়েক বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করলে তা কাজে দেবে।
জরুরি কিছু কথা
কখনোই পড়োনি, এমন কিছু নতুন করে এখন আর পড়তে যেয়ো না। এতে সময় নষ্ট হয় বেশি। কিন্তু বিগত বছরগুলোয় বারবার এসেছে, এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দিয়ে থাকলে, সেগুলো আয়ত্ত করে ফেলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সঙ্গে পড়া বিষয়গুলোও বারবার দেখো। কারণ, অস্পষ্ট ধারণা নিয়ে পরীক্ষার হলে গেলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
নিশ্চয়ই তোমাদের জানা আছে, একটা ভুলের জন্য ০.২৫ নম্বর করে কাটা যাবে। অর্থাৎ চারটি ভুল উত্তরের জন্য তুমি হারাচ্ছ একটি সঠিক উত্তরের নম্বর।
এ জন্য পরীক্ষার হলে একটু কৌশলী হতে হবে। প্রথম ২৫ মিনিটে নিশ্চতভাবে জানা ৫০-৬০টি উত্তর দাগিয়ে নিতে পারো। পরের ২০ মিনিটে মোটামুটি সহজ, এ রকম ২০-৩০টি উত্তর দাগিয়ে ফেলতে পারলে ভালো হয়। ৭০-৮০টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে ফেললে চিন্তামুক্ত লাগবে। এরপর ‘উত্তর এমন হতে পারে, কিন্তু মনে পড়ছে না’, এ রকম প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করার সময় পাবে। কোনো প্রশ্নের পেছনে অযথা অতিরিক্ত সময় নষ্ট করার কোনো মানে নেই। দ্রুত পরের প্রশ্নে চলে যাবে।
অনেকেই জিজ্ঞাসা করে থাকে, প্রস্তুতির জন্য দিনে কত ঘণ্টা পড়া উচিত। আমি বলব, যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না হয়, ততক্ষণ পড়া উচিত।
ভালো প্রস্তুতি নাও, ভালো পরীক্ষা দাও। সবার জন্য শুভকামনা।

ডা. মো. ইসমাইল খান

মেডিকেলের ভুবনে স্বাগতম
ডা. মো. ইসমাইল খান
অধ্যক্ষ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ


বাংলাদেশে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা হয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে, সারা দেশে একই সঙ্গে। একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা যেখানেই দিক না কেন, মেধাস্কোরের ভিত্তিতে সে সুযোগ পেতে পারে যেকোনো মেডিকেল কলেজে। মেধাভিত্তিক এ বাছাই পরীক্ষার মধ্য দিয়েই শুরু হয় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নপূরণের যাত্রা। চিকিৎসা পেশা এক মহান পেশা। চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করার আগে সবাইকেই কিছু নিয়ম মেনে চলার শপথ নিতে হয়। সত্যিকার অর্থে মানবতার সেবার ব্রত নিজের মধ্যে থাকতে হবে।
মা-বাবার চাপে পড়ে এ পেশায় না আসাই ভালো। যে বয়সে একজন শিক্ষার্থী মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়, সে বয়সে তার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়ে যায়। তাই অভিভাবকদেরও বলছি, আপনার সন্তানের যদি চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছে না থাকে, তাহলে তাকে চিকিৎসক হওয়ার জন্য চাপ দেবেন না। চিকিৎসকের পেশাকে ভালোবেসে যারা এ পথে হাঁটতে চায়, তাদের জন্য রইল শুভকামনা।।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সাবিরুল ইসলাম



সাবিরুল ইসলাম



ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়নের প্রচারণা চালাতে গিয়ে আমি গুরুত্বপূর্ণ দুটি জিনিস শিখেছি। প্রথমটি হলো, নিজের স্বপ্নকে বড় করা। যত পাগলাটে কিংবা আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভবই মনে হোক না কেন, আমাদের স্বপ্নগুলো বড় হওয়া চাই। আমার বয়স তখন ছিল মাত্র ১৯, যখন নাইজেরিয়া ভ্রমণে গিয়ে ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়নের চিন্তাটি আমার মাথায় আসে। অনেক পরিকল্পনা, আত্মনিবেদন ও নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে উপলব্ধির পরে আমি শিখলাম, নিজের উপস্থিতি দিয়ে কীভাবে হাজারো মানুষকে অনুপ্রাণিত করা যায়। আর এটিই বিশ্বজুড়ে হাজারো মানুষকে আমার স্বপ্নে উজ্জীবিত করেছে, তাদের অনুপ্রাণিত করেছে দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনতে। এই মানুষগুলোই আমাকে শিখিয়েছে, মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মতো দরকারি কাজ কোনোটি নেই। এই মহৎ প্রাণগুলোই ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়ন ক্যাম্পেইনকে সফল করে তুলেছে।
দ্বিতীয়টি, ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়নের মাধ্যমেই আমি নিজের প্রশংসা করতে শিখেছি এবং নিজের সত্তাকে বুঝতে পেরেছি। কীভাবে? আমি সব সময়ই মনে করেছি, আমার জীবনটা অনেক কঠিন ছিল। আমার জীবন ছিল যুক্তরাজ্যের অন্যতম অনগ্রসর একটি সমাজে বড় হয়ে ওঠার কষ্টকর জীবন। কিন্তু, এখন আমি বিশ্বের ২৬টিরও অধিক দেশে গিয়েছি এবং গত তিন বছরে ৭০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। বিশ্বের নানা প্রান্তে বিচিত্র কর্মজগতের মানুষের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে। তাদের কেউ কেউ নিজেদের জীবনে অনেক সফল, কারও মত আমার মতের সঙ্গে বেশ মিলে যায়, আবার তাদের অনেকে এমন পরিবেশে বড় হয়েছে, যেটা আমার বেড়ে ওঠার পরিবেশের চেয়েও অনেকগুণ প্রতিকূল। এই বিচিত্র সব পরিচিতি আমার চোখ খুলে দিয়েছে এবং শিখিয়েছে নিজের জীবনের কীভাবে প্রশংসা করতে হয়। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে একটা ভ্রমণ হিসেবে উপভোগ করা উচিত, তাহলে সে জীবনের গল্প সবাইকে অনুপ্রাণিত করবে।
যখন আমরা জীবনে কোনো কিছু করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তখন শুধু অন্তিম ফলটাই মুখ্য নয়। কারণ, পাহাড়ে আরোহণের সময় চূড়ায় ওঠাটা মূল গল্প নয়। শীর্ষে একজন কী করল তা কাউকে অনুপ্রাণিত করে না, কিন্তু চূড়ায় ওঠার যে কষ্টকর যাত্রা, প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে প্রাণান্তকর যে লড়াই করে চূড়ায় ওঠার সাধনা—সে গল্পটাই সবাই আগ্রহ নিয়ে শুনতে চায়। এ কারণে জীবনে যাত্রাপথটাকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দাও এবং এর প্রশংসা করো।

আমি আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, এই অভিযানটি এক মিলিয়ন অর্থাৎ ১০ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করার গৌরবময় মাইলফলক ছুঁতে যাচ্ছে ১৮ সেপ্টেম্বর আয়োজিত অনুষ্ঠানে।




  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কৈশোরে কোটিপতি



ম্যাডিসন রবিনসনস্যান্ডেলের নকশা করেই কোটিপতি
ম্যাডিসন রবিনসন
উদ্যোক্তা
২০১৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই ১০ লাখ ডলার আয় করে চমকে দেয় টেক্সাসের কিশোরী ম্যাডিসন রবিনসন। আমরা যে স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরি, তার জন্য বৈচিত্র্যময় নকশা করেই এখন কোটিপতি ম্যাডিসন। তার প্রতিষ্ঠিত রবিনসন কোম্পানির স্পঞ্জের স্যান্ডেল ব্র্যান্ড ফিস ফ্লপস। এই ব্র্যান্ডের জন্য নানা রঙের স্যান্ডেল নকশা করে সে। প্রতি স্যান্ডেল বিক্রি হয় ২৫ ডলার করে। আর এই বিক্রির লভ্যাংশ দিয়েই এখন সফল উদ্যোক্তা ম্যাডিসন। বর্তমানে তার আয় ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৮ কোটি টাকা) ছাড়িয়ে গেছে।

জাস্টিন বিবারএক গানেই বাজিমাতজাস্টিন বিবার 
গায়ক
ইউটিউবে আপলোড করা এক ভিডিও থেকেই শুরু বর্তমান সময়ের আলোচিত গায়ক জাস্টিন বিবারের। ২০০৭ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে স্থানীয় এক সংগীত প্রতিযোগিতায় জাস্টিন অংশ নেয় নে-ইয়োর ‘সো সিক’ গানটি নিয়ে। তার মা প্রতিযোগিতায় গাওয়া গানের ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে দেন। সেই ভিডিও দেখেই তাকে খুঁজে বের করেন এক রেকর্ড স্টুডিওর মালিক স্কুটার ব্রাউন। আর সেই থেকে যাত্রা শুরু বিবারের। ২০০৯ সালে বিবারের প্রথম একক গান ‘ওয়ান টাইম’ মুক্তি পায়। সে থেকে তার জয় রথ ছুটেই চলছে। এরই মধ্যে ১০ লাখ ডলার আয়ের মাইলফলক ছুঁয়েছে এই টিন সেনসেশন। ইতিমধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ স্ট্যাম্পড, স্পটিফাই, শটস, গেমস নির্মাতা সোজো স্টুডিওতে লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে সে। বর্তমানে তার আয় ১০ দশমিক ৮ লাখ ডলারের (প্রায় ৮.৮ কোটি টাকা) কিছু বেশি।
সূত্র: ফোর্বস, অ্যাডিক্টেড টু সাকসেস

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

অপরাহ উইনফ্রে



অপরাহ উইনফ্রে
                                                       
  অপরাহ উইনফ্রে
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব

মাত্র ১৩ বছর বয়সে ঘর থেকে পালিয়ে যান অপরাহ উইনফ্রে। পরিবার থেকে দূরে সরে ভর্তি হন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের লিংকন হাইস্কুলে। মেধার জোরে বাগিয়ে নেন রাষ্ট্রীয় এক বৃত্তি। ভর্তি হন নিকোলেট হাইস্কুলে। পরে মায়ের কঠোর ইচ্ছার জন্য অপরাহ ভর্তি হন ইস্ট ন্যাশভিল হাইস্কুলে। আবারও স্কুলে সেরা বক্তার পুরস্কার পেয়ে জিতে নেন আরেক বৃত্তি। স্কলারশিপ নিয়ে ভর্তি হন টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। যোগাযোগ বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। ১৭ বছর বয়সে মিস ব্ল্যাক টেনেসি খেতাব জয় করেন অপরাহ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ার পাশে এক বেতারে কাজ শুরু করেন তিনি। বেতারে সংবাদপাঠকের কাজ থেকে তাঁর ডাক পড়ে বাল্টিমোরের এক টেলিভিশনে। আর তাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে হয় তাঁকে। বিশ্ববিদ্যালয় পালানো সেই অপরাহ ২০১৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে বক্তব্য দেন।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

জন গ্লেন



জন গ্লেন

                                         জন গ্লেন
নভোচারী ও সিনেট সদস্য



স্কুল পালিয়ে মানুষ কত দূর যেতে পারে, তার অনন্য এক উদাহরণ জন গ্লেন। এই ভদ্রলোক স্কুল পালানো প্রথম মানুষ, যিনি কিনা মহাকাশে পা রাখেন। মাসকিংগাম কলেজে প্রকৌশলে পড়াশোনার জন্য ভর্তি হন তিনি। পদার্থবিজ্ঞানে ভালো ফলের জন্য ব্যক্তিগত বিমান চালানোর লাইসেন্স লাভ করেন তিনি। তখন চারদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা চারদিকে। জাপান যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবার আক্রমণ করলে গ্লেন স্কুল পালিয়ে যোগ দেন বিমানবাহিনীতে। ১৯৪২ সালে ২১ বছর বয়সে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন মার্কিন বিমান বহরে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে তাঁর সামনে আসে কোরিয়ান যুদ্ধ। তারপরে মহাকাশ গবেষণার জন্য নাসায় যোগ দেন তিনি। ১৯৬২ সালে প্রথম মার্কিন হিসেবে তিনি পৃথিবী আবর্তন করেন। মহাকাশ জয় শেষে পৃথিবীতে ফিরে ২০ বছর আগে ছেড়ে দেওয়া কলেজের কোর্সে আবারও ভর্তি হন তিনি। ৪১ বছর বয়সে অর্জন করেন ব্যাচেলর ডিগ্রি।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ক্যাথেরিন

ক্যাথেরিন

ক্যাথেরিন 

জেটা-জোন্স
অভিনেত্রী



চকলেট ফ্যাক্টরির মালিক বাবার মেয়ে ক্যাথেরিন। হলিউডে মিষ্টি মেয়ে আর অনন্য সৌন্দর্যের জন্য খ্যাতি তাঁর। অভিনেত্রী ক্যাথেরিন জেটা-জোন্সও স্কুল পালানো দলের সদস্য। ওয়েলশের ডাম্বারটন হাউস স্কুলে ভর্তি হন তিনি। কিন্তু স্কুলের পড়াশোনার চেয়েও অভিনয়ে আগ্রহ ছিল তাঁর। তাই তো বয়স পনেরো হওয়ার আগেই স্কুল ছেড়ে দেন। ও লেভেল পরীক্ষার আগেই স্কুল থেকে পালান তিনি। যোগ দেন স্থানীয় এক নাটকের দলে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

‘ক’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৩) প্রথম



আল-জামিল

অঙ্কে জোর দাও

আল-জামিল
‘ক’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় (২০১৩) প্রথম



বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ক’ ইউনিট। ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষার জন্য হাতে সময় রয়েছে এক সপ্তাহের কম। এ সময়ে নতুন কিছু পড়ার চেয়ে জানা বিষয়গুলোই ঝালাই করে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
‘ক’ ইউনিটে চারটি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর করতে হয়। প্রতিটি বিষয়ে ৩০ করে মোট ১২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান উত্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক। যারা চতুর্থ বিষয় হিসেবে গণিত অথবা জীববিজ্ঞান পড়েছ, তারা এর যেকোনো একটি বাদ দিয়ে ইংরেজি বা বাংলার উত্তর দিতে পারো। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর। তাই নিশ্চিত না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত নয়। ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪৮। এ বছরের পরীক্ষার্থীদের জন্য আমার পরামর্শ থাকবে, বিগত সালের প্রশ্নগুলো নিয়মিত চর্চা করো। এবার যেহেতু ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না, তাই মাথায় অঙ্ক করার কৌশল বেশি করে আয়ত্ত করতে হবে।

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS